শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন

হাতকড়া পরিয়ে মারধর, এসআই আল মামুনের বিরুদ্ধে ঘুষ ও নির্যাতনের অভিযোগ

ফয়সাল হোসাইন সনি, বগুড়া / ১২৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

হাতকড়া নিয়ে আসামী পালানোর ঘটনার পড়, অভিযোগের পাহাড় উঠেছে বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) আল মামুনের বিরুদ্ধে। সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) আল মামুনকে নিয়ে অনুসন্ধানী পর্বের আজ থাকছে প্রথম পর্ব। সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) আল মামুন বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, নির্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি—এই পুলিশ কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে নিরপরাধ মানুষকে গ্রেফতার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিবগঞ্জ উপজেলার পূর্ব জাহাঙ্গীরাবাদ এলাকার একটি মৎস্য খামারে কর্মরত জনি মিয়া (৩০)কে চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে খামার থেকেই গ্রেফতার করেন এসআই আল-মামুন।

গ্রেফতারের পর জনি মিয়াকে হাতকড়া পরিয়ে পুকুরপাড়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ওই ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগী জনি মিয়া জানান,“আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নই। তবুও সাব ইন্সপেক্টর আল-মামুন আমাকে অকারণে মারধর করেন। আমি অনুরোধ করেছিলাম হাতকড়া খুলে দিতে, কিন্তু তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দিয়ে উল্টো হুমকি দিয়ে বলেন, আমার জীবন তিনি ধ্বংস করে দেবেন।”

জনি মিয়া আরও অভিযোগ করেন, সাব-ইন্সপেক্টর আল মামুন তাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় নাম জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে দরকষাকষির পর তার বাবা খাজা মোল্লা দুই ধাপে মোট ১০ হাজার টাকা প্রদান করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, থানার দায়িত্বে থেকেও তিনি নিয়মিত সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) আল-মামুন বলেন, পুরো ঘটনাটি মিথ্যা। উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। আমি এই ধরনের কোন অসৎ কাজ করিনি।

স্থানীয় সচেতন মহলের মন্তব্য,“এমন কর্মকাণ্ডের কারণে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা প্রতিনিয়ত কমে যাচ্ছে। একজন আইন রক্ষাকারী কর্মকর্তা যদি আইনের অপব্যবহার করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করেন, তবে তা গোটা পুলিশ প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।”

এসআই আল মামুনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এ অভিযোগ শুধু একজন কর্মকর্তার নয়—পুরো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নৈতিকতা ও জনআস্থার ওপর আঘাত। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কত দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত সম্পন্ন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ