সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমী তিথিতে দিনাজপুর রাজকৃষ্ণ আশ্রমে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে আয়োজন করা হয় কুমারী পূজা। কসবা মিশনস্থ রামকৃষ্ণ আশ্রমের স্বামী অমৃতত্বানন্দ ভবন ও আশ্রম শতবর্ষ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই পূজাকে ঘিরে তৈরি হয় আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ।
এদিন ছয় বছরের কুমারী কন্যা ভাগ্য মধুশ্রী গাঙ্গুলিকে বিশুদ্ধ নারীর রূপ কল্পনা করে দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়। কুমারী পূজার দায়িত্ব পালন করেন রামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বিভাত্মানন্দ মহারাজ। পূজা উপলক্ষে কুমারীকে স্নান করিয়ে নতুন বস্ত্র পরিধান করানো হয়, পায়ে আলতা, সিঁথিতে সিঁদুর এবং নানা অলংকারে সজ্জিত করা হয়। ঢাক, ঢোল, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার প্রতিরূপ হিসেবে এই পূজা সম্পন্ন হয়।
স্বামী বিভাত্মানন্দ মহারাজ বলেন, “কুমারী পূজার মূল মাহাত্ম্য হলো নিজের মধ্যে থাকা অসুর মনোবৃত্তি পরিহার করে মাতৃজ্ঞানে নারীকে উপলব্ধি করা।” জেলা প্রশাসক, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সার্বিক সহযোগিতায় পূজার সকল আনুষ্ঠানিকতা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।