শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন

আদালত চত্বর থেকে আসামি পলায়ন: কোর্ট ইন্সপেক্টর মোসাদ্দেক বদলি, অনিয়মের পাহাড়ে ঘেরা কর্মকর্তা!

ফয়সাল হোসাইন সনি, বগুড়া / ১১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বগুড়ায় আদালত চত্বর থেকে জোড়া হত্যা মামলার আসামি পলায়নের ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘটনার মাত্র দুই দিনের মাথায় আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মোসাদ্দেক হোসেনকে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে পুলিশ হাসপাতালে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, মোসাদ্দেক হোসেনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ ছিল। নারী কেলেঙ্কারি, দায়িত্বে অবহেলা, মামলার আসামিদের সাথে গোপন যোগাযোগ, এমনকি আর্থিক অনিয়মের কথাও শোনা যায়। তবুও রহস্যজনকভাবে এতদিন তিনি কোর্ট ইন্সপেক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল ছিলেন। আসামি পলায়নের ঘটনার পর হঠাৎ বদলিকে অনেকেই ‘দায় এড়ানোর কৌশল’ হিসেবে দেখছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডিশনাল এসপি) আতোয়ার হোসেন বলেন— “২৩ সেপ্টেম্বর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে জোড়া হত্যা মামলার আসামি পালানোর ঘটনায় ছয়জন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোর্ট ইন্সপেক্টরকে কেন পুলিশ হাসপাতালে সংযুক্ত করা হয়েছে, তা তদন্ত প্রতিবেদন হাতে এলেই পরিষ্কার হবে।”

আদালতে নিয়মিত যাতায়াতকারী আইনজীবীরা বলছেন, কোর্ট ইন্সপেক্টরের শিথিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলে আদালতের ভেতর থেকে এভাবে আসামি পালানো সম্ভব ছিল না। তাদের মতে, কেবল বদলি নয়, বরং মোসাদ্দেকের অতীত কর্মকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া জরুরি।

ঘটনার পর থেকে জেলার সাধারণ মানুষ ও আইনজীবী সমাজে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, এ ধরনের গাফিলতি কেবল একটি প্রশাসনিক বদলির মাধ্যমে চাপা দেওয়া হলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

আসামি পলায়নের মতো ভয়াবহ ঘটনায় দায়ী কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় না আনা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়বে। এখন দেখার বিষয়—তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হলে কোর্ট ইন্সপেক্টর মোসাদ্দেক হোসেনের ভূমিকা কতটা সামনে আসে, আর কতটা আড়ালে চাপা পড়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ