দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় প্রাণ দাস (২৫) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর তদন্তে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ঘাটিত হয়েছে।
বুধবার বিকেলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ে অ্যাডিশনাল ডিআইজি মাহফুজ্জামান আশরাফ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, পরকীয়ার জেরে প্রাণ দাসকে হত্যা করা হয় এবং পরবর্তীতে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়।
প্রথমে বিষয়টি ইঁদুর মারা বিষ খেয়ে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানো হলেও, নিহতের মা সারতী রাণী দাসে এর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, আমার ছেলে বিষ খাবে না, ওকে মেরে ফেলা হয়েছে। নিজের ছেলের হত্যার বিচার চেয়ে তিনি আশ্রয় নেন পিবিআই দিনাজপুর কার্যালয়ে।
পিবিআইয়ের এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে গঠিত একটি টিম ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে, নিহত প্রাণ দাসের স্ত্রী পূজা রাণী দাস, শ্বশুর নিপেন্দ্র নাথ রায়, শাশুড়ি জোসনা রানী এবং শ্যালক দিপু রায় মিলে তাকে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজায়।
পরবর্তীতে ২০ অক্টোবর মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করেন নিহতের মা সারতী রাণী দাস। মামলার এজাহারনামীয় ৪ আসামিকে সেদিনই বীরগঞ্জের ডাকেশ্বরী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পিবিআই দিনাজপুর।