শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় লাউ ক্ষেতে নারীর মৃতদেহ উদ্ধার, আটক একজন

আশিকুর রহমান রনি; পঞ্চগড় প্রতিনিধি / ১০০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় লাউ ক্ষেত থেকে তনজিনা আক্তার (৩৫) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের ধামোর মধ্যপাড়া এলাকায় একটি লাউক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত তনজিনা ওই এলাকার মৃত চাল ব্যবসায়ী মজিবর রহমানের স্ত্রী। তাঁর দুই ছেলে—তৌহিদুল ইসলাম (১৩) ও তামিম (৮)। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দিলু হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে থানায় হেফাজতে নিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তনজিনার স্বামী মজিবর রহমান প্রায় এক বছর আগে মারা যান। পরবর্তীতে একই গ্রামের দিলু হোসেনের ছোট ছেলে মিনাল (২৭)-এর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তনজিনার। প্রায় দুই মাস আগে তাঁরা গোপনে বিয়ে করেন এবং মির্জাপুর বাজারে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।

কিন্তু মিনালের পরিবারের চাপে তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। পরিবারের সদস্যরা বিয়েটি মেনে না নেওয়ায় সম্প্রতি বিচ্ছেদের জন্য চাপ দিতে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, মিনালের বড় ভাই মিজানুর রহমান (৩০) নানা সময় তনজিনাকে ও তাঁর সন্তানদের হুমকি দিতেন।

গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) তনজিনাকে তাঁর বড় ছেলে দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে বিচ্ছেদে বাধ্য করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। ওইদিনই আদালতে তাঁদের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। রাতে তনজিনা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে জানান, তাঁকে অন্ধকার জায়গায় আটকে রাখা হয়েছে এবং মিনাল সেখানে নেই। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

সোমবার সকালে ধামোর মধ্যপাড়ার জাহিরুল ইসলামের লাউক্ষেতে স্থানীয়রা লাউ তুলতে গিয়ে তনজিনার মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে।

বারঘাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং মরদেহ উদ্ধার করি। নিহতের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।”তিনি আরও জানান, ঘটনার পর মিনালের বাবা দিলু হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ