শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

শিবিরকে হারাতে কিউট-সুইট টাইপ হতে হবে, গুণ্ডা-ধাঁচে কাজ হবে না: মির্জা গালিব

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৭৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মির্জা গালিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে বলেছেন, সাম্প্রতিক ছাত্রসংগঠন নির্বাচনের ফল ও তরুণ ভোটারের আচরণ নতুন ধরনের রাজনীতির দূত।

তিনি বলেন, ছাত্রশিবিরকে হারাতে হলে কিউট-সুইট ধরনের ব্যক্তিত্ব থাকতে হবে, কেবল পুরনো কণ্ঠস্বর বা গুণ্ডা-ধাঁচে আর কাজ হবে না। পোস্টে গালিব তুলে ধরেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক ফলের চিত্র: চাকসুতে ছাব্বিশটি পদে মধ্যে চব্বিশটি পেয়েছে শিবির-সমর্থিত প্যানেল, রাকসুতে তেইশটির মধ্যে বিশটি।

অন্যদিকে ছাত্রদল ডাকসু, জাকসু, চাকসু, রাকসু মিলিয়ে তারা পেয়েছে কেবল একটি এজিএস। তিনি আরো উল্লেখ করেন, “দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণদের একচেটিয়া সাপোর্ট পাচ্ছে শিবির — এটা এক নতুন বাংলাদেশের গল্প বলছে।”

গালিব সতর্ক করে বলেন, “অছাত্র, বয়স্ক ছাত্র, সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজি-চিৎকারের পুরনো রাজনৈতিক স্টাইল দিয়ে আর রাজনীতি করা যাবে না। ছাত্রশিবিরকে পরাস্ত করতে হলে মেধাবী হতে হবে, ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কনস্ট্রাকটিভ রাজনীতি করতে হবে, এবং ব্যক্তিত্বানুভবী — দেখতে-শুনতেও কিউট-সুইট টাইপ হতে হবে।”

পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন পক্ষ থেকে সমর্থন মিলেছে। অনেকে গালিবের বক্তব্যকে তরুণ ভোটারের শক্তি ও পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক মানসিকতার স্বীকৃতি হিসেবেই দেখছেন, আবার অনেকে বলছেন এমন বিশ্লেষণ অতিরিক্ত সরলীকরণ।

গালিবের কথায় শেষটুকু ছিল মানসিক উজ্জীবনধর্মী: “এমন এক বাংলাদেশই তো আমরা চেয়েছিলাম আমাদের সারাটা জীবন ধরে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ