শিরোনাম
রংপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী হত্যা মামলায় অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতার রংপুর হোটেলের ছাদ থেকে পড়ে কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু রংপুরে নিখোঁজের একদিন পর শিশু সানজিদার লাশ উদ্ধার জমি নিয়ে বিরোধে হামলায় নারীসহ গুরুতর আহত ৫ রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে রাস্তায় আলু ফেলে চাষীদের বিক্ষোভ-মহাসড়ক অবরোধ রংপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু হোটেল কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে মালিক মিঠাপুকুরে মিশুক ছিনতাইকারী নারী আটক ব্র্যাক সীডের উদ্যোগে টেকসই ও নিরাপদ কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন

শিবিরকে হারাতে কিউট-সুইট টাইপ হতে হবে, গুণ্ডা-ধাঁচে কাজ হবে না: মির্জা গালিব

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৪৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মির্জা গালিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে বলেছেন, সাম্প্রতিক ছাত্রসংগঠন নির্বাচনের ফল ও তরুণ ভোটারের আচরণ নতুন ধরনের রাজনীতির দূত।

তিনি বলেন, ছাত্রশিবিরকে হারাতে হলে কিউট-সুইট ধরনের ব্যক্তিত্ব থাকতে হবে, কেবল পুরনো কণ্ঠস্বর বা গুণ্ডা-ধাঁচে আর কাজ হবে না। পোস্টে গালিব তুলে ধরেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক ফলের চিত্র: চাকসুতে ছাব্বিশটি পদে মধ্যে চব্বিশটি পেয়েছে শিবির-সমর্থিত প্যানেল, রাকসুতে তেইশটির মধ্যে বিশটি।

অন্যদিকে ছাত্রদল ডাকসু, জাকসু, চাকসু, রাকসু মিলিয়ে তারা পেয়েছে কেবল একটি এজিএস। তিনি আরো উল্লেখ করেন, “দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণদের একচেটিয়া সাপোর্ট পাচ্ছে শিবির — এটা এক নতুন বাংলাদেশের গল্প বলছে।”

গালিব সতর্ক করে বলেন, “অছাত্র, বয়স্ক ছাত্র, সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজি-চিৎকারের পুরনো রাজনৈতিক স্টাইল দিয়ে আর রাজনীতি করা যাবে না। ছাত্রশিবিরকে পরাস্ত করতে হলে মেধাবী হতে হবে, ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কনস্ট্রাকটিভ রাজনীতি করতে হবে, এবং ব্যক্তিত্বানুভবী — দেখতে-শুনতেও কিউট-সুইট টাইপ হতে হবে।”

পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন পক্ষ থেকে সমর্থন মিলেছে। অনেকে গালিবের বক্তব্যকে তরুণ ভোটারের শক্তি ও পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক মানসিকতার স্বীকৃতি হিসেবেই দেখছেন, আবার অনেকে বলছেন এমন বিশ্লেষণ অতিরিক্ত সরলীকরণ।

গালিবের কথায় শেষটুকু ছিল মানসিক উজ্জীবনধর্মী: “এমন এক বাংলাদেশই তো আমরা চেয়েছিলাম আমাদের সারাটা জীবন ধরে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ