শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন

সাধারণ শিক্ষার্থী আসলে কারা?’, প্রশ্ন রাশেদ খা

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৬১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫

শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের যে ঘোষণা, সেটিই বহাল রাখার ঘোষণা দিয়েছে ঢাবি প্রশাসন। শনিবার (৯ আগস্ট) রাত ২টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানের উপস্থিতিতে এ ঘোষণা দেন প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ।

গতকাল মধ্যরাতে হলে হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় হলের গেট ভেঙে বের হয়ে আসেন নারী শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে ঢাবি হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গন। ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে বিপক্ষে মতামত দিচ্ছেন রাজনীতিবিদরা।

এ প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানালেন রাশেদ খানও। ঢাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীর নামে আন্দোলন করা এরা আদৌও শিক্ষার্থী কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাশেদ খান লেখেন, ‘হলে ছাত্র সংগঠনগুলো কমিটি দিতে পারবে না বুঝলাম, কিন্তু ডাকসু নির্বাচনে হল সংসদে প্যানেল দিতে পারবে? তখন আবার আরেক দফা আন্দোলন হবে যে, ছাত্র সংসদে রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের প্যানেল বাতিল চাই। অন্যথায় এরা ডাকসু রুপে ফিরে এসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নির্যাতন চালাবে।

এরপর? এরপর দাবি উঠবে কেন্দ্রীয় সংসদে ছাত্র সংগঠনগুলোর প্যানেল দিতে পারবে না! শুধুমাত্র সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্যানেল দিতে পারবে!’

তিনি লেখেন, ‘সেই সাধারণ শিক্ষার্থী আসলে কারা? রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন, ছাত্র রাজনীতির কাঠামোগত সংস্কারের দাবি না করে যারা স্লোগান দিচ্ছে ১,২,৩,৪, পু*কি মার…..! এরা কি আদৌও সাধারণ শিক্ষার্থী? আমি নিজেও সাধারণ শিক্ষার্থী ছিলাম। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আচরণ আমি বুঝি। এসব স্লোগান পরিকল্পিত উসকানি। কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীর মুখ থেকে এমন অশ্রাব্য স্লোগান বের হয় না।’

সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে কারা আসলে আন্দোলন করছে তা নিয়ে সন্দিহান রাশেদ খান।

রাজনীতির মধ্যেও এক মহরাজনীতি থাকে উল্লেখ করে রাশেদ খান লেখেন, “এখন আমার প্রশ্ন হলো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ছাত্রলীগ করতো এরা এখন কোথায়? ১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবির আন্দোলনে ছাত্রলীগের বহু নেতাকর্মী ছিল।

কারণ কোটা তারাও পছন্দ করতো না। কিন্তু হাসিনা ছিল তাদের পছন্দের। হাসিনার পতন আন্দোলন শুরু হলে, তারা বলেছিল কোটা বাতিলের দাবি পর্যন্ত ছিলাম, এখন যা হচ্ছে, তার সঙ্গে নাই! সেই হাসিনা পতনের আন্দোলনে না থাকা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও ‘কোটা বাতিলের আন্দোলনে ছিলাম’ দোহাই দিয়ে হলে থাকছে! তারাও সাধারণ শিক্ষার্থী বেশে আন্দোলনে ঢুকে ছাত্র রাজনীতি বাতিল চাচ্ছে।

কারণ ওরা রাজনীতি করতে পারছে না, বাকিদের রাজনীতি কেন থাকবে? আবার কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীরা হলগুলোতে ছাত্র সংগঠনগুলোর উপহার দেওয়া পানির ফিল্টার ভেঙে ফেলছে, ভেন্ডিং মেশিনে জুতা মারছে?”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ