শিরোনাম
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে : বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি

ডেস্ক নিউজ / ১৭২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫

দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। দুর্ঘটনার সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর মার্চে ৫৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬১২ জন নিহত এবং ১ হাজার ২৪৬ জন আহত হয়েছেন। গত বছরের একই মাসের তুলনায় প্রাণহানির সংখ্যা ৪৭টি বেশি। গত বছরের মার্চে ৫৫২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হন ৫৬৫ জন, আহত ১২২৮ জন। দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাও বেড়েছে। গত বছর যেখানে ১৮১ দুর্ঘটনায় ২০৩ জন নিহত ও ১৬৬ জন আহত হয়েছিলেন, এবার সেখানে ২২৭টি দুর্ঘটনায় ২৫১ জন নিহত এবং ২০৮ জন আহত হয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এসব তথ্য জানায়। জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্র থেকে তারা এসব তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগঠনটি তাদের প্রতিবেদনে জানায়, মার্চে মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ২৭ শতাংশ ঘটেছে মোটরসাইকেলে, যা মোট নিহতের ৪১.০১ শতাংশ এবং আহতের ১৬.৬৯ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, ১৪৮টি। এসব দুর্ঘটনায় ১৫০ জন নিহত ও ৩৬৪ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে; ৩১টি। এসব দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত ও ৮৬ জন আহত হয়েছেন।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ৫১.২৬ শতাংশ গাড়িচাপার ঘটনা, ২২.৫৯ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭.২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ০.১৬ শতাংশ চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে, ৭.৯২ শতাংশ বিবিধ কারণে ও ০.৮৪ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষে ঘটেছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণ করে বলা হয়, মার্চে দুর্ঘটনার ৩৪.২৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৩.৪৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ৩৭.২৬ শতাংশ ফিডার রোডে ঘটেছে। সারাদেশে সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩.৫৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৬৭ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৮৪ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে ঘটেছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী সমকালকে বলেন, ‘মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত যানবাহন বিরাট সমস্যা আকারে দেখা দিয়েছে। দেশে সড়ক পরিবহনের নীতি সহায়তা নিয়ে কোনো কমিশন গঠন হয়নি। এটা করা দরকার ছিল। তবে কমিশন ছাড়াও যে সংস্কার করা যায় না, তা নয়। সড়কের সার্বিক সংস্কার প্রয়োজন। এসব সংস্কার ছাড়া স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ