রংপুরে ইন্টার্ণ চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধি, কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা প্রদানসহ ৬ দফা দাবীতে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে কর্মসূচী পালিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, ইন্টার্ণ ডক্টরস সোসাইটি রংপুর মেডিকেল কলেজের সভাপতি সাদমান মির মিরাজ, সাধারণ সম্পাদক নাঈম
শাহরিয়ার, কোষাধ্যক্ষ আবু বক্করসহ অন্যরা।
কর্মসূচীতে বক্তারা বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ণ চিকিৎসকরা ২৪ ঘন্টা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। অথচ তাদের যে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে, তা বর্তমান উর্ধ্বগতির বাজারের সাথে সামঞ্জ্যপূর্ণ না। ফলে পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করা কিংবা সংসার চালাতে ইন্টার্ণদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই ইন্টার্ণদের ৩০ হাজার টাকা এবং এফপিসিএস ট্রেইনিদের ৫০ হাজার টাকা ভাতা প্রদানের দাবী জানানো হয়েছে। এছাড়া কর্মক্ষেত্রে প্রায়ই বিনাকারণে চিকিৎসকদের হামলার শিকার হতে হচ্ছে। তাই হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা দেয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
রংপুর মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ণ ডক্টরস সোসাইটি সভাপতি সাদমান মির মিরাজ বলেন, বর্তমান সরকারের ফার্স্ট লেডি একজন চিকিৎসক। তাই সরকার প্রধান চিকিৎসকদের মূল্যায়ন করবেন প্রত্যাশা করছি। আজ ঢাকাস্থ মেডিকেল কলেজগুলোর ইন্টার্ণ চিকিৎসকদের সাথে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলোচনায় বসবেন। সেখানে ফলপ্রসূ আলোচনা হলে আমরা কর্মবিরতি তুলে নেব।
তিনি বলেন, রংপুর বিভাগের ৮ জেলা থেকে রোগীরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। আমরা চাই না আমাদের কোন কর্মসূচীর কারণে তারা ভোগান্তিতে পড়ুক। দাবী বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন কর্মসূচী চলবে। তবে জরুরী সেবা চালু রাখা হয়েছে। আমাদের ৬ দফা দাবী না মানলে আগামীকাল থেকে কলেজের ৫১ থেকে ৫৫ ব্যাচের সকল শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করবে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, ইন্টার্ণরা ধর্মঘটে গেলেও হাসপাতালের অন্য চিকিৎসকদের সমন্বয়ে রোগীদের সেবা দেয়া হচ্ছে। ইন্টার্ণরা তাদের দাবীর প্রেক্ষিতে আমাকে একটি স্বারকলিপি দিয়েছিল। আমি বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে। ### ০৮-০৬-২৬ইং