শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ের তরুণ সৈকত: একাই যেন ছোট্ট সাইবার হেল্প সেন্টার 

মোঃ হাবিব, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি / ১৫৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

ঠাকুরগাঁওয়ের সৈকত আহমেদ এখন এলাকার তরুণ সমাজে বেশ পরিচিত নাম। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে তার দখল এমনই পাকা যে, ফেসবুকে কোনো সমস্যা হলে কিংবা মোবাইল বা কম্পিউটারে সামান্য গলদ দেখা দিলেই সবাই ছুটে যান তার কাছে।

সৈকতের বয়স আঠারোর কোঠায়। ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি ছিল প্রবল আগ্রহ। অন্যরা যেখানে খেলাধুলা বা ঘুরে বেড়াতে ব্যস্ত, সৈকত তখন বসে থাকতেন পুরনো কম্পিউটার নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে। ধীরে ধীরে নিজের চেষ্টায় শিখে ফেলেন কম্পিউটার সার্ভিসিং, সফটওয়্যার ইনস্টলেশন, এমনকি হ্যাক হওয়া ফেসবুক আইডি উদ্ধার পর্যন্ত।

এখন তিনি ঠাকুরগাঁও শহরের আইসিটি-প্রেমী তরুণদের কাছে যেন এক ‘ডিজিটাল গার্ডিয়ান’। কারো ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে, কেউ পেজে প্রবেশ করতে না পারলে কিংবা অনলাইনে প্রতারণার শিকার হলে, সৈকতের দরজাতেই প্রথম কড়া নাড়ে তারা।

সৈকত বলেন, মানুষ এখন অনলাইনে অনেক সময় কাটায়। অনেকেই জানেন না কিভাবে নিজেদের অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতে হয়। আমি চেষ্টা করি, যাদের সমস্যা হয়, তাদের পাশে দাঁড়াতে।”

তার সহপাঠী তামিম বলেন, “আমাদের অনেক সময় ফেসবুকে নানা ঝামেলায় পড়তে হয়। সৈকতের কাছে গেলেই মিলে যায় সমাধান। বিনা পয়সায় কাজ করে দেয় সে, শুধু চায় মানুষ যেন নিরাপদে থাকে।”

স্থানীয়রা বলছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সৈকতের মতো উদ্যমী ও সহানুভূতিশীল মানুষই এখন সবচেয়ে প্রয়োজন। প্রযুক্তিকে নিজের স্বার্থে নয়, মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা এই বিশ্বাস থেকেই সৈকতের কাজের শুরু।।

প্রযুক্তির এই যুগে সৈকত আহমেদ যেন ঠাকুরগাঁওয়ের এক অনানুষ্ঠানিক ‘সাইবার হেল্প ডেস্ক’। মানুষ হাসিমুখে ফিরে যায় তার কাছ থেকে, আর এভাবেই প্রযুক্তি ও মানবতার সুন্দর মেলবন্ধন তৈরি করছেন এই তরুণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ