শিরোনাম
ইন্টার্ণদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবীতে রংপুরে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে রংপুরে পৃথক পৃথক কর্মসূচী পালন রংপুরে ক্লুলেস হত্যা মামলার প্রধান আসামী সবুজ গ্রেফতার রাজধানীতে শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে রংপুরে মানববন্ধন-সমাবেশ রংপুর নগরীতে টিসিবি উপকারভোগীদের মাঝে স্মার্ট কার্ড বিতরণ রংপুরে দেশীয় অস্ত্র, মাদকসহ কারবারী গ্রেফতার রংপুরে আলোচিত গণধর্ষণ মামলার আসামী গ্রেফতার রংপুর র‌্যাবের অভিযানে বিষ্ণুমূর্তিসহ চোরাচালানকারীর দুই সদস্য গ্রেফতার রংপুরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় টিসিএ মিডিয়াকাপ-২০২৬ শুরু
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন

টিফিন দিতে পারিনি বলেই হয়তো বেঁচে গেছে আমার ছেলেটা

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৫৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫

মাইলস্টোন স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মোহাইমিন আরিয়ানের মা আশফিয়া মুমতাজ শিল্পী। আগের দিন স্কুলটিতে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পরদিন সকালে মাঠে দাঁড়িয়ে ওই ভবনটির ক্ষত চিহ্ন দেখছিলেন

ওই ভবন থেকে তার ছেলে কীভাবে ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরেছে তা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার সময় ছেলের ব্যাগে টিফিন দেন। তবে সোমবার টিফিন দিতে পারেননি, তাই টিফিনের জন্য টাকা দিয়েছিলেন।

আশফিয়া মুমতাজ বলেন, ‘আমি ছেলেকে বললাম আজকে তোমাকে টিফিন দিলাম না, টাকা নিয়ে যাও, স্কুলে গিয়ে কিছু কিনে খাইয়ো। পরে ও যখন নিচে নামতেছে তখন ওর স্যার ওরে নিচে নামতে নিষেধ করেছিলেন। তখন ও বলছে আমার কোচিং আছে কিছু না খেলে তিনটা পর্যন্ত থাকতে পারবো না। পরে অনেক জোরাজুরি করার পর স্যার রাজি হলে ও নিচে নেমে যায়। পিছে পিছে ওর স্যার ও আরেক বন্ধুও নিচে নেমে যায়। ওরা নিচে নেমে একটু সামনে এগুতেই বিকট শব্দ শুনতে পায়।’

ভবনের সামনেই একটি গাছ দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘ওই যে দেখেন না গাছটা, ওই গাছটার কাছে যখন আমার আরিয়ান যায় তখন দেখে আগুন আর আগুন। চারিদিকে ধোঁয়া, তখন ও দৌড়ে স্কুলের বাইরে বের হয়ে যায়।’

কান্না জড়িত কণ্ঠে তিনি বলছিলেন, ‘আমি টিফিন দিতে পারিনি বলেই হয়তো বেঁচে গেছে আমার ছেলেটা। কিন্তু ওর কাছের বন্ধুরা মারা গেছে।’

বিমান বিধ্বস্তের ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে মাইলস্টোন স্কুলের সেই ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটি থেকে কড়াকড়ি সরিয়ে নেয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে সকালেই স্কুলটি থেকে সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া পাহারা সরিয়ে নেয়া হয়। পরে শিক্ষার্থীদের স্বজন, গণমাধ্যমসহ অনেকেই সেখানে আসতে শুরু করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ