শিরোনাম
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রামে গঙ্গাধর নদীর তীব্র ভাঙন রোধ ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন।

মোঃ দুর্জয় হাসান, নাগেশ্বরী কুড়িগ্রাম / ১৭১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় গঙ্গাধর নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধ ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে কচাকাটা ইউনিয়নের ধনীরামপুর এলাকায় গঙ্গাধর নদীর তীরে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনের আয়োজন করে কচাকাটা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসী ও কচাকাটা থানা চর উন্নয়ন কমিটি।

‎মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কচাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন মণ্ডল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ আল-আমীন, সাবেক চেয়ারম্যান হাসেম আলী সরকার, কচাকাটা থানা চর উন্নয়ন কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও নদী পাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী।

‎মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গঙ্গাধর নদীর তীব্র ভাঙনে এলাকার শত শত পরিবারের বসতভিটা, আবাদি জমি, মসজিদ-মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিলীন হওয়ার পথে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো ভাঙনের কবলে পড়েছে জাতীয় গ্রিডের গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ লাইন সাবমেরিন ক্যাবল, যা ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, স্থানীয় সড়ক ও সরকারি সম্পত্তিও মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে।

‎বক্তারা আরও বলেন, নদী ভাঙন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা গঙ্গাধরের গ্রাসে চলে যাচ্ছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও ভাঙনের গতি কমেনি। অবিলম্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও জরুরি প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ