শিরোনাম
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রামের নদীতে ভারত থেকে ভেসে এলো সাপে কাটা মরদেহ, সঙ্গে চিরকুট

স্থানীয় রিপোর্ট / ২৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

ভারতে সাপে কাটা একটি শিশুর লাশ কলাগাছের ভেলায় করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। ওই শিশুর লাশ কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদে এসে পৌঁছেছে। রবিবার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের দুধকুমার নদে গারুহারা ঘাটে ভেলা‌টি ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা।

লাশের সঙ্গে থাকা মোবাইল নাম্বারে ফারুক খান নামে এক শিক্ষার্থী ফোন করে জানতে পারেন (শিশুটির মামা পরিচয়দানকারী অনকু দাস জানায়) শিশুটি ১০ জুলাই সাপের কামড়ে মারা যায়।

নতুন করে জীবন ফিরে পাবে- এমন আশায় লাশটি নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। এসব কথা জানার পর স্থানীয়রা আর লাশটি না আটকিয়ে আবারও নদীতে ভাসিয়ে দেন।

স্থানীয় বা‌সিন্দারা জানান, কলাগাছের কয়েকটি গুঁড়ি দিয়ে তৈরি এক‌টি ভেলায় চাটাইয়ের ওপর প্রায় ৬ বছর বয়সি এক‌টি শিশুর ম‌রদেহ ভাসতে দেখেন তারা। লাশটি চাদর, মশা‌রি এবং প‌লি‌থিন দিয়ে ঢেকে রাখা।

শুধু মু‌খটা দেখা যাচ্ছে। ভেলাতে শিশু‌টির ছ‌বি সম্বলিত নাম-ঠিকানা ও এক‌টি ফোন নাম্বার উল্লেখ করা ছিল

উল্লেখিত ঠিকানায় দেখা যায়- শিশু‌টির নাম সুমীত দাস, তার পিতার নাম আকুমনি দাস, মায়ের নাম পদ্মা দাস। সেখানে ঠিকানা উল্লেখ করা ছিল- ‌ডেকাবঘাট লালবা‌ড়ি, আসাম, ভারত।

যাত্রাপুরের গারুহারা এলাকার কলেজ শিক্ষার্থী ফারুক খান বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলাগাছের ভেলায় এক‌টি লাশটি ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে আমি সেখানে যাই। পরে লাশের সঙ্গে এক‌টি চিরকুট দেখতে পাই। ওই চিরকুটে এক‌টি ভারতীয় ফোন নম্বর ছিল। ওই নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ যোগাযোগ করলে অপরপ্রান্ত থেকে সাড়া পাই- অনকু দাস নামে এক ব্যক্তি শিশু‌টির মামা প‌রিচয় দেন।

পরে তি‌নি জানান, গত ১০ জুলাই শিশু‌টি সাপের কামড়ে মারা গেলে তাকে কলাগাছের ভেলায় ভা‌সিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে যাত্রাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন, কলাগাছের ভেলায় ভেসে আসা শিশুটির খবর শুনেছি। লাশটি আবার ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ