শিরোনাম
রংপুরে নিখোঁজের একদিন পর শিশু সানজিদার লাশ উদ্ধার জমি নিয়ে বিরোধে হামলায় নারীসহ গুরুতর আহত ৫ রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে রাস্তায় আলু ফেলে চাষীদের বিক্ষোভ-মহাসড়ক অবরোধ রংপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু হোটেল কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে মালিক মিঠাপুকুরে মিশুক ছিনতাইকারী নারী আটক ব্র্যাক সীডের উদ্যোগে টেকসই ও নিরাপদ কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইন্টার্ণদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবীতে রংপুরে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

হাতকড়া পরিয়ে মারধর, এসআই আল মামুনের বিরুদ্ধে ঘুষ ও নির্যাতনের অভিযোগ

ফয়সাল হোসাইন সনি, বগুড়া / ৯৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

হাতকড়া নিয়ে আসামী পালানোর ঘটনার পড়, অভিযোগের পাহাড় উঠেছে বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) আল মামুনের বিরুদ্ধে। সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) আল মামুনকে নিয়ে অনুসন্ধানী পর্বের আজ থাকছে প্রথম পর্ব। সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) আল মামুন বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, নির্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি—এই পুলিশ কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে নিরপরাধ মানুষকে গ্রেফতার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিবগঞ্জ উপজেলার পূর্ব জাহাঙ্গীরাবাদ এলাকার একটি মৎস্য খামারে কর্মরত জনি মিয়া (৩০)কে চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে খামার থেকেই গ্রেফতার করেন এসআই আল-মামুন।

গ্রেফতারের পর জনি মিয়াকে হাতকড়া পরিয়ে পুকুরপাড়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ওই ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগী জনি মিয়া জানান,“আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নই। তবুও সাব ইন্সপেক্টর আল-মামুন আমাকে অকারণে মারধর করেন। আমি অনুরোধ করেছিলাম হাতকড়া খুলে দিতে, কিন্তু তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দিয়ে উল্টো হুমকি দিয়ে বলেন, আমার জীবন তিনি ধ্বংস করে দেবেন।”

জনি মিয়া আরও অভিযোগ করেন, সাব-ইন্সপেক্টর আল মামুন তাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় নাম জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে দরকষাকষির পর তার বাবা খাজা মোল্লা দুই ধাপে মোট ১০ হাজার টাকা প্রদান করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, থানার দায়িত্বে থেকেও তিনি নিয়মিত সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) আল-মামুন বলেন, পুরো ঘটনাটি মিথ্যা। উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। আমি এই ধরনের কোন অসৎ কাজ করিনি।

স্থানীয় সচেতন মহলের মন্তব্য,“এমন কর্মকাণ্ডের কারণে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা প্রতিনিয়ত কমে যাচ্ছে। একজন আইন রক্ষাকারী কর্মকর্তা যদি আইনের অপব্যবহার করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করেন, তবে তা গোটা পুলিশ প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।”

এসআই আল মামুনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এ অভিযোগ শুধু একজন কর্মকর্তার নয়—পুরো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নৈতিকতা ও জনআস্থার ওপর আঘাত। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কত দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত সম্পন্ন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ