শিরোনাম
জাতীয় সংসদে আজ পাস হলো ২৪টি বিল, চলতি অধিবেশনে মোট ৯১টি বিল অনুমোদিত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের নারী সাংবাদিকদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের নির্বাচন রিপোর্টিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন … রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ডন রংপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা, বৃদ্ধ ও কিশোরীসহ আহত অনেকে মিঠাপুকুরে বসতভিটায় হামলা: গাছ কেটে লাখ টাকার ক্ষতি, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ রংপুরে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত রংপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারী ও কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান বক্তাদের রংপুরে চাকরীর পরীক্ষায় জালিয়াতি, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ ২৫ জন গ্রেফতার নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয় রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নব-নিযুক্ত প্রশাসকের বিএমইউজে রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিল আলোচনা সভা
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন শিশু আয়মান

ডেস্ক রিপোর্ট / ১২৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করা শিশু আয়মানকে শরীয়তপুরে দাফন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) বাদ এশা ভেদরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের নিজ গ্রামে তাকে তার দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

শিশু আয়মান (১০) উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর এলাকার বাপ্পি হাওলাদারের বড় মেয়ে। পরিবারসহ ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় বসবাস করছিল আয়মান।

গত সোমবার (২১ জুলাই) প্রতিদিনের মতো আয়মান স্কুলে ক্লাসে অংশ নিচ্ছিল। দুপুরের দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয় বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান। এই দুর্ঘটনায় ক্লাসে থাকা আয়মানসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়।

তৎক্ষণাৎ তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। বিস্ফোরণ ও আগুনে তার শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়। চারদিন ধরে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর শুক্রবার সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে আয়মান।

আয়মানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার গ্রামের বাড়ি নারায়ণপুরে নেমে আসে শোকের ছায়া। এলাকার মানুষ প্রিয় শিশুটির মৃত্যুতে শোকাহত হয়ে পড়ে।

আয়মানের চাচা মাহাতাজ হাওলাদার বলেন, আমার ভাতিজি সেদিন ক্লাসে বসে ছিল, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন ও বিস্ফোরণে ঝলসে যায়। চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আমাদের আদরের আয়মানকে আর বাঁচানো গেলো না। আমরা শুধু চাই, এমন মৃত্যু আর কোনো পরিবারকে দেখতে না হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ