শিরোনাম
রংপুরে নিখোঁজের একদিন পর শিশু সানজিদার লাশ উদ্ধার জমি নিয়ে বিরোধে হামলায় নারীসহ গুরুতর আহত ৫ রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে রাস্তায় আলু ফেলে চাষীদের বিক্ষোভ-মহাসড়ক অবরোধ রংপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু হোটেল কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে মালিক মিঠাপুকুরে মিশুক ছিনতাইকারী নারী আটক ব্র্যাক সীডের উদ্যোগে টেকসই ও নিরাপদ কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইন্টার্ণদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবীতে রংপুরে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন

স্ত্রীর পরকীয়ার কারণে খালাতো ভাইয়ের হাতে খুন হোন বগুড়ার ব্যবসায়ী জহুরুল

ফয়সাল হোসাইন সনি, বগুড়া / ২৮৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

বগুড়ায় বেকারি ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম (৪৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার স্ত্রী শামিমা আক্তার (৩০) ও খালাতো ভাই বিপুল (৩৭)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছে।

গ্রেপ্তার শামিমা আক্তার বগুড়া সদর উপজেলার নূনগোলা ইউনিয়নের শাহীনুর রহমান তালুকদারের মেয়ে। অপর আসামি বিপুল একই ইউনিয়নের অন্তাহার গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়—পারিবারিক বিরোধ ও অবৈধ সম্পর্ককে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে জহুরুলকে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের দিন রাতের কোনো এক সময় জহুরুলকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তার বাড়ির সামনে ধানক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করে বগুড়া সদর থানা পুলিশ।

সদর থানার তদন্ত ইন্সপেক্টর মাহফুজ জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে- শামীমা ও বিপুলের মধ্যে ছোটবেলা থেকে প্রেম-ভালবাসার সম্পর্ক ছিল। এরমধ্যে জহুরুলের সাথে শামীমার বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ে হয়ে গেলেও শামীমা ও বিপুলের সম্পর্ক ধারাবাহিক ভাবে চলতে থাকে। বিষয়টি জহুরুল জানতে পারে এবং তা নিয়ে পারবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। ৩ নভেম্বর শামীমা ও বিপুল দু’জনে পরিকল্পনা করে জহুরুলকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়ে তারা সুখের সংসার করবে।

ওই দিন রাতে জহুরুলকে দুধের সাথে ১৫টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ায় শামীমা। তারপর রাতে জহুরুল ঘুমিয়ে পড়লে তাকে বিপুল ঘাড়ে তুলে বাহিরে নিয়ে যায় এবং হত্যার পর তাকে বাড়ির পাশে ধানক্ষেতে ফেলে রাখে। প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ঘটনার পর নিহতের মামা এবং আসামি শামিমার বাবা শাহীনুর রহমান তালুকদার বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তার দু’জনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এর আগে বগুড়া সদর উপজেলার নূনগোলা ইউনিয়নের হাজরাদিঘী তালুকদার পাড়া এলাকায় ধানক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ