সাভারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ড্যাফোডিলের এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে জড়ো হন। উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা সিটি ইউনিভার্সিটির দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশ তাদের শান্ত থাকার অনুরোধ জানায়। পরে প্রক্টর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধে শিক্ষার্থীরা ব্যাচেলর প্যারাডাইসের সামনে অবস্থান নেন। এদিকে সিটি ইউনিভার্সিটির হামলাকারী শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাভার থানার দুটি টিম ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। ড্যাফোডিলের প্রক্টর ও প্রশাসনের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি সামাল দেন। পরে প্রক্টর সিটি ইউনিভার্সিটির প্রক্টরকে ফোনে বিষয়টি জানান এবং হামলার প্রমাণ তাদের কাছে হস্তান্তরের আশ্বাস দিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সমাধান চান
ভোর সাড়ে চারটার দিকে সিটি ইউনিভার্সিটির ফুটবল দলের কোচ কামরুজ্জামান কাজল জানান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। এখনও উত্তেজনা চলছে। গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সাবেক শিক্ষার্থী জানান, দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চলমান সংঘাত আরও ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা।
সিটি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে আগুন: এদিকে সংঘর্ষের পর সিটি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। রাত সাড়ে তিনটার দিকে পাশ্বর্বর্তী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক একটি ভবনে বসবাসকারী এক শিক্ষার্থীর ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেছে সিটি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে আগুন দেখা গেছে।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বরত রাকিবুল হাসান জানান, সিটি ইউনিভার্সিটির সামনে একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার তথ্য পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।