শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন

বিদ্যালয়ের ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড নিয়ে দুই শিক্ষকের মারামারি, ডাকা হলো পুলিশ

স্থানীয় রিপোর্ট / ৪২৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫

বগুড়ার শেরপুরে একটি বিদ্যালয়ে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড দেওয়া নিয়ে দুই শিক্ষকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে শেরপুর পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সামনেই এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ডাকা হয়।

ঘটনায় আহত হয়েছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ সাহেব আলী ও ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর মাহমুদুল হাসান। দুজনেই বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

সহকারী শিক্ষক সাহেব আলীর অভিযোগ, বিদ্যালয়ের ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হওয়ায় তিনি প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে মাহমুদুল হাসানের কাছে নতুন পাসওয়ার্ড চান। কিন্তু মাহমুদুল পাসওয়ার্ড না দিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং একপর্যায়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তাঁকে মারধর করেন।

সাহেব আলীর দাবি, পরে মাহমুদুল হাসান টাউন কলোনি এলাকা থেকে নিজের স্বজনদের ডেকে এনে বিদ্যালয়ের দোতলায় আরও এক দফা মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

অন্যদিকে মাহমুদুল হাসান বলেন, “প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া আমি পাসওয়ার্ড দিতে পারি না। সেটি না মানায় সাহেব আলী প্রথমে আমাকে মারধর করেন। পরে আমার ভাই এসে ঘটনাস্থলে আসে। তবে যাদের ‘বহিরাগত’ বলা হচ্ছে, তারা আমার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়।”

ঘটনার সময় শিক্ষার্থীদের সামনেই শিক্ষকরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই শ্রেণিকক্ষে না থেকে বাড়ি চলে যায়।

এ নিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোজাফফর আলী বলেন, “দুজন শিক্ষক ও পরে আরও কয়েকজন বিদ্যালয় চত্বরে মারামারিতে জড়ান। দুজনই আহত হয়েছেন।”

বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ শেখ বলেন, “ঘটনার পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে জানানো হয়েছে।”

এ প্রসঙ্গে শেরপুর থানার ওসি এস এম মঈনুদ্দীন জানান, “উভয় পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ