শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন

বগুড়ায় রাজনীতির ছত্রছায়ায় নদী লুট: স্বেচ্ছাসেবক ও যুবদল নেতার রাতের বালু সাম্রাজ্য

ফয়সাল হোসাইন সনি, বগুড়া / ৯৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার দুর্গাহাটা ইউনিয়নের ইছামতী খাল এখন পরিণত হয়েছে বালু মাফিয়াদের লুটপাটের মাঠে। অভিযোগ উঠেছে— স্বেচ্ছাসেবকদল ও যুবদলের দুই প্রভাবশালী নেতা মামুন মোল্লা ও আনোয়ার হোসেন সাদ্দাম প্রকাশ্যে প্রশাসনের নাকের ডগায় নদী দখল করে চালাচ্ছেন অবৈধ বালু উত্তোলন ব্যবসা।

স্থানীয়রা জানায়, দিন-রাতে বালু তুলে নেওয়া হচ্ছে ইছামতী খাল থেকে। প্রথমে দিনের আলোয় তোলামাত্রই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হলে এখন তারা গভীর রাতে লাইট জ্বেলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন।

নদীর তীর ঘেঁষে বসবাসরত মানুষজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। কেউ প্রতিবাদ করলেই তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

একজন স্থানীয় কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের জমি ধসে যাচ্ছে, নদী শুকিয়ে মরছে— অথচ প্রশাসন চোখ বন্ধ করে আছে।”

আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো— এই দুই নেতা সাংবাদিকদের নীরব রাখতে অনৈতিক প্রস্তাব ও প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

দুর্গাহাটা ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবকদল ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মামুন মোল্লা ও যুবদল নেতা ও ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন সাদ্দাম একাধিকবার প্রতিবেদককে ফোন করে অনৈতিক সমঝোতার প্রস্তাবও দিয়েছেন।

গাবতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। প্রশাসন চাইলে আমরা সহায়তা করবো।”

তবে গাবতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদ-এর সরকারি মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রশাসন নীরব থাকায় খাল ধ্বংসের মুখে পড়েছে। “এইভাবে চলতে থাকলে একদিন মানচিত্র থেকে ইছামতী খালের নাম মুছে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ