বগুড়ার সদর উপজেলার পল্লীমঙ্গল হাটের রাস্তার মোড়ে থাকা আওয়ামী লীগের একটি অফিস এখন জামায়াতের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র কৌতূহল ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে— আসলেই এটি আওয়ামী লীগের অফিস জামায়াত দখল করেছে, নাকি জামায়াতের পুরনো কার্যালয় দখল করে আওয়ামী লীগ নাম ব্যবহার করেছিল?
স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে সরকারি খাস জমি দখল করে আওয়ামী লীগ ওই কার্যালয় গড়ে তোলে। তবে ৫ আগস্টের পর হঠাৎ করেই নামফলক বদলে যায়। বর্তমানে সেখানে বড় করে লেখা হয়েছে “জামায়াতে ইসলামী কার্যালয়”।
এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথমে বিষয়টি তুলে ধরেন পিনাকী ভট্টাচার্য। পরে গুগলে খোঁজ করলেও পুরনো ছবিতে সেখানে আওয়ামী লীগের নামফলক স্পষ্ট দেখা যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের সেই অফিস এখন জামায়াতের অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসিল্যান্ডকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। জমিটি সরকারি খাস জমি হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা বলছেন, অতীতে এটি জামায়াতের অফিস ছিল। পরে আওয়ামী লীগ দখল করে নেয়। আর সাম্প্রতিক সময়ে আবারও নাম পরিবর্তন করে সেটি জামায়াতের নামে চালানো হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, যদি জমিটি সরকারি খাস হয় তবে দ্রুত তদন্ত করে রাজনৈতিক দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো হোক।