শিরোনাম
দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন

বগুড়ায় জোড়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনঃ গ্রেফতার ৩

ফয়সাল হোসাইন সনি, বগুড়া / ১০৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

বগুড়ার শিবগঞ্জে মা ও ছেলেকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অবশেষে রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে জয়পুরহাট ও ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে। উদ্ধার করা হয়েছে লুণ্ঠিত মোটরসাইকেলটিও।

পুলিশ জানায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার মধ্যে শিবগঞ্জ উপজেলার সাদুল্লাপুর বটতলা গ্রামে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আসামী জিসান (২০) তার দুই সহযোগী মাহি ইসলাম (১৯) ও সৈকত (২০)-কে সঙ্গে নিয়ে মামাতো বোন রাণী বেগম (৪০) ও তাঁর ছেলে ইমরান হোসেন (২২)-এর বাড়িতে যায়।

ঋণ শোধ ও নেশার টাকার জন্য তারা ইমরানের Hero Thriller 160R 4V মোটরসাইকেল চুরি করতে চায়। বিষয়টি টের পেয়ে বাধা দিলে তিনজন মিলে প্রথমে ইমরানকে ও পরে রাণী বেগমকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। ঘটনাস্থলেই মা ও ছেলের মৃত্যু হয়। পরে তারা গহনা ও মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম-এর নির্দেশে এবং সহকারী পুলিশ সুপার (শিবগঞ্জ সার্কেল) রবিউল ইসলাম-এর তত্ত্বাবধানে একটি চৌকস টিম তদন্তে নামে।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই উৎপল কুমার বোস-এর নেতৃত্বে গত ১৫ অক্টোবর রাতে প্রথমে আসামী মাহি ইসলামকে ঢাকার আশুলিয়া থানার পূর্ব নরসিংহপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মাহি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত স্বীকারোক্তি দেয় এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নওগাঁ সদর এলাকা থেকে লুণ্ঠিত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

এরপর ধারাবাহিক অভিযানে এজাহারভুক্ত আসামী জিসান ও সহযোগী সৈকতকে শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকার খিলক্ষেত থানার ডুমনি বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, তিনজনই দীর্ঘদিন ধরে নেশায় আসক্ত এবং বিভিন্নজনের কাছে ঋণগ্রস্ত ছিল। ঋণের টাকা শোধ করতেই তারা আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে।

শনিবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার হোসেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ