শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

অবৈধ পথে ইতালি যাত্রা: এক কোটি ২৮ লাখ টাকা মুক্তিপণে ফিরলেন ২ জন

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ মে, ২০২৫

ভাগ্য বদলের আশায় জমি বেচে ১৬ লাখ টাকা চুক্তিতে, ইতালি যাওয়ার স্বপ্নে ঘর ছেড়েছিলেন শরীয়তপুরের আলতাফ ও আহসান। ফিরে এসেছেন ঋণের বোঝা আর ভয়াবহ নির্যাতনের দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে।এ ঘটনায় তাদের মুক্তিপণ গুণতে হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় দালাল হারুন লস্কর ও তার ছেলে ইমন লস্করের প্রতারণার শিকার হয়ে হারাতে হয়েছে সব। ভারত ঘুরে এক মাস রাখা হয় তাদের শ্রীলঙ্কায়। এরপর দুবাই, মিশর হয়ে নেয়া হয় লিবিয়ার বেনগাজীতে। তাদেরকে বেচে দেয়া হয় মাফিয়াদের কাছে। সেখানেই আটকে রেখে মুক্তিপণের জন্য চলে অমানবিক নির্যাতন। ধাপে ধাপে জনপ্রতি ৬৪ লাখ টাকা কোরে মুক্তিপণ দেয়ার পর, ৭মে দেশে ফিরেছেন দুজন।

আহসান উল্লাহ ও আলতাফ হোসেন জানান, তাদের আটকে রেখে মারধরের পাশাপাশি অমানবিক নির্যাতন করতো। এসব স্মৃতি মনে হলে এখনও শিউরে উঠেন তারা।

ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, প্রলোভন দেখিয়ে ইতালির কথা বলে স্থানীয় লোক ঠিক করে হারুন লস্কর নামে দালাল চক্রের এক সদস্য। লিবিয়ায় নিয়ে মাফিয়া ও মানব পাচারকারীদের সহায়তায় মুক্তিপণ আদায় করে ইমন লস্কর। জমি বিক্রি আর সুদের বিনিময়ে আনা টাকায়, ছেলেকে জীবিত ফিরে পেলেও, পাওনাদারদের চাপে দুশ্চিন্তায় দিন পার করছে পরিবার।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হারুন লস্কর। তিনি বলেন, কোনো টাকাই নেননি তিনি। এসব বিষয়ে কোনো প্রমাণ নেই বলেও জানান তিনি।

এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হলেও, জেলায় মানবপাচার চক্রের একাধিক সদস্য এখনও সক্রিয়। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না উল্লেখ করে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম জানান, কিছু কিছু চক্র এই কাজ করে যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত আছে।

পুলিশ ও গণমাধ্যমের তথ্যমতে, অবৈধ পথে লিবিয়া হয়ে ইতালী যেতে এখন পর্যন্ত শরীয়তপুরের অন্তত ২৪ যুবক নিখোঁজ রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ