শিরোনাম
দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত না করে খেলার উন্নয়ন সম্ভব নয় আসিফ আকবর

জেলা প্রতিনিধি,নীলফামারী / ৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

নীলফামারীতে আগাম জাতের আলু উঠতে শুরু করেছে। দাম কমে গেলেও চাষে ভাটা পড়েনি, বরং গতবারের লোকসান সত্ত্বেও এবারও সমান উদ্যমে আলু চাষে নেমেছেন কৃষকরা।

আগাম আলুর পাশাপাশি মাঝারি মৌসুমের চাষও চলছে একসঙ্গে। দরপতনের আশঙ্কা থাকলেও কৃষকদের বিশ্বাস, নতুন আলুর ভালো দাম মিললে আগের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে যাবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মঞ্জুর রহমান জানান, কিশোরগঞ্জের কেশবা গ্রামের কৃষক সোরহাব হোসেন ৫৯ শতক জমিতে মাত্র ৫৫ দিনে ৩৫০ কেজি বিনা সেভেন জাতের আলু তুলেছেন, যা তিনি ৪০ টাকা দরে বিক্রি করেন। এখানেই দেশে প্রথম আলু তোলা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকায় পুরোদমে আলু উত্তোলন শুরু হবে। লোকসানের মুখে পড়লেও কৃষকরা পরের মৌসুমে আবারও নতুন আশায় চাষে ফিরে আসেন।

বর্তমানে বাজারে পুরোনো খাবার আলু মিলছে ১০–১৫ টাকায়, বীজ আলুর দামও প্রায় একই। নিতাই মুশরুত পানিয়ালপুকুর এলাকার আল-আমিন ৭০ বিঘা জমিতে আগাম আলু চাষ করছেন। দর নিয়ে শঙ্কা থাকলেও লাভের আশা করছেন তিনি। যদুমনি এলাকার বড়ো চাষি লুতু মিয়া গত মৌসুমে হিমাগারে রাখা ছয় হাজার বস্তা আলুতে প্রায় ৪০ লাখ টাকা লোকসান গুনেছেন। তবুও আশা হারাননি, এবারও আগাম ও বীজ আলুর চাষ বাড়াচ্ছেন তিনি।

মাঠ পরিদর্শনে দেখা গেছে, দুর্গাপূজার আগে হালকা বৃষ্টিতে ক্ষেত ভিজলেও আলুতে উল্লেখযোগ্য রোগবালাই ধরেনি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা আশানুরূপ ফলনের প্রত্যাশা করছেন। দাম ভালো থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মুখেও হাসি ফিরবে— এমন স্বপ্নে দিন পার করছেন সবাই।

ধান কাটার আগেই অনেক কৃষক ওই জমিতে বীজ আলুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ১৫–২০ দিনের গজানো বীজ রোপণ করলে ৫০ দিনেই হিমাগারে সংরক্ষণযোগ্য বীজ পাওয়া যায় বলে জানান তারা। কৃষি দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত বছর ২৩ হাজার ১৫৬ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হলেও এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২২ হাজার হেক্টরে। জেলার ১১টি হিমাগারে ৪ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন খাবার আলু এবং ২৫ হাজার মেট্রিক টন বীজ আলু মজুত রয়েছে; জেলার বাইরে আরও আলু সংরক্ষিত আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ