কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জ উপজেলা যুব বিভাগের উদ্যোগে শহরের প্রধান প্রধান মোড়ে অবস্হান কর্মসূচি পালিত হয়।সকাল ১০ টায় উপজেলার মেডিকেল মোড়ে অবস্হান কর্মসূচি শুরু হয়ে মেডিকেল মোড় থেকে নেতাকর্মীরা ঝর্নার মোড় হয়ে থানা মোড়, বাজার রোড হয়ে মিনি স্টেডিয়ামের ফটকে অবস্হান নেয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন,কিশোরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আক্তারুজ্জামান বাদল,উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মন্জুরুল ইসলাম রতন, উপজেলা জামায়াতের সহঃসেক্রেটারি ও সদর ইউনিয়ন আমির শিব্বীর আহমেদ, যুব বিভাগের সেক্রেটারি মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
এছাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী ও যুব বিভাগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আক্তারুজ্জামান বাদল বলেন,৫ ই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরশাসক হাসিনার পতনের পর তারা দেশ থেকে পালিয়ে গেছে কিন্তু ষড়যন্ত্র বন্ধ হয় নাই। আজকে যখন গণহত্যা বিচারের রায় অপেক্ষমান জাতি অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছে যে স্বৈরশাসকের ফাঁসির রায় হবে। সেই মুহূর্তে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার জন্য সন্ত্রাস করছে। সারাদেশে গুপ্ত হামলায় নিমজ্জিত হয়েছে এবং তারা দেশে একটা অরাজকতা পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য পায়তারা করছে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি জাতি আজকে ঐক্যবদ্ধ আছে।
শিব্বীর আহমেদ বলেন,ফ্যাসিবাদ আওয়ামী আওয়ামী লীগরা যাতে আর কিশোরগঞ্জে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে আজকে খুনি হাসানের রায়কে ঘিরে এই গুপ্ত আওয়ামী লীগরা মাথা চারা দেয়ার সুগভীর ষড়যন্ত্র করতেছে,শান্তিপূর্ণ দেশকে অস্হিশীল করার পাঁয়তারা করে যাচ্ছে।
মন্জুরুল ইসলাম রতন বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। বিগত ১৬ বছরে মজলুমদের ফাঁসি দিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা আনন্দ উপলব্ধি করেছে। আমরা এ রকম আনন্দ করতে চাই না।জালিমের ফাঁসি হোক এটা জামায়াতে ইসলামী সহ গোটা বাংলাদেশের জনগণ মনে করে।