শিরোনাম
দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন

বগুড়ায় সমবায় সমিতির তিন মাঠকর্মীর বিরুদ্ধে ৫৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ফয়সাল হোসাইন সনি, বগুড়া / ১০৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫

বগুড়া সদর উপজেলার ফুলবাড়ী জনকল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড থেকে প্রায় ৫৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তিন মাঠকর্মীর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক আমিনুর ইসলাম শনিবার (১৮ অক্টোবর) বগুড়া সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা হলেন— মোছাঃ রুপালী খাতুন, স্বামী: মো. জোবাইদুর রহমান (সোহেল), ট্যানারি রোড, বগুড়া; মোছাঃ সুবর্ণা আক্তার (৩৭), পিতা: ফাইজুল খলিফা, কাটনারপাড়া, ডা. এস.কে. লেন, বগুড়া; এবং মোছাঃ মীম রজনী, স্বামী: মো. উজ্জ্বল, বারপুর মধ্যপাড়া, নুনগোলা, বগুড়া সদর।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানে মাঠকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এই সুযোগে সদস্যদের কাছ থেকে আদায়কৃত সঞ্চয় ও কিস্তির টাকা অফিসে জমা না দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করেন। এর মধ্যে রুপালী খাতুন ১০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, সুবর্ণা আক্তার ২৫ লাখ ৯০ হাজার ৭৪০ টাকা এবং মীম রজনী ১৭ লাখ ৬৩ হাজার ৯২০ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ একাধিকবার নোটিশ প্রদান ও স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও অভিযুক্তরা কোনো অর্থ ফেরত দেননি। বরং বর্তমানে তারা আত্মগোপনে রয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার বই ও নথিপত্রও নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে।

অভিযোগকারী নির্বাহী পরিচালক মো. আমিনুর ইসলাম বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে অসহায়, এতিম ও প্রতিবন্ধী শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু কিছু অসাধু কর্মীর কারণে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং সদস্যদের আস্থা নষ্ট হচ্ছে। তাই আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি।”

এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাসান বাসির বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ