শিরোনাম
রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা একই পরিবারের ৪ মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন তথ্য, আটক ৩ রংপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আহত যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রংপুরে চিড়িয়াখানায় অসামাজিক কর্মকান্ডের অভিযোগে ২৭ তরুন-তরুনী আটক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রংপুরে সভা দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন

শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন: ২৫০ কারখানার পণ্য পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা, ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে ১০ হাজার কোটি

ডেস্ক রিপোর্ট / ৭৯২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতির পরিমাণ জানার চেষ্টা করছে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সংগঠনগুলো। এরই মধ্যে তারা স্ব-স্ব সদস্যদের নির্ধারিত ফরম্যাটে ক্ষতি হওয়া পণ্যের তালিকা দিতে চিঠি দিয়েছে। এক-দুই দিনের মধ্যেই কার্গো ভিলেজে কী পরিমাণ পণ্য ছিল তার সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানান তারা।

একই সঙ্গে বিমানবন্দর কত দিন বন্ধ থাকবে সেই অনিশ্চয়তা রয়েছেন তারা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, যদি এই ঘটনায় দীর্ঘদিন বিমানবন্দর বন্ধ থাকে তবে যাত্রীদের পাশাপাশি রপ্তানিকারকরাও ক্ষতির মুখে পড়বেন।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘কী পরিমাণ পণ্যের ক্ষতি হয়েছে, এই মুহূর্তে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে সাধারণত আমাদের সদস্য কারখানাগুলো প্রায় সবাই এয়ারে পণ্য পাঠান। প্রতিদিন গড়ে ২০০-২৫০টি কারখানার পণ্য রপ্তানি হয়। সে হিসেবে এই পরিমাণ কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছি।

এদিকে, বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে লাগা আগুনে বিলিয়ন ডলারের (১০ হাজার কোটি টাকা) বেশি ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করছেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ার এক্সপ্রেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএইএবি) সভাপতি কবির আহমেদ।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তিনি এ কথা বলেন।

অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনায় অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা। এতে প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওয়্যার হাউস এবং একটি এয়ার এক্সপ্রেস পুরোপুরি পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

উল্লেখ্য, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুন লাগে। খবর পেয়ে একে একে যোগ দেয় ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট। অংশ নেয় সেনা, বিমান, নৌবাহিনী ও বিজিবির বিভিন্ন ইউনিটও।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই বেড়ে যায় আগুনের তীব্রতা। আগুন থেকে বাঁচাতে উড্ডয়নের অপেক্ষায় থাকা উড়োজাহাজ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। উড়োজাহাজ ওঠা-নামা বন্ধ থাকায় ঢাকামুখী ৮টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম এবং একটি ফ্লাইট সিলেটে অবতরণ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ