শিরোনাম
রংপুরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় টিসিএ মিডিয়াকাপ-২০২৬ শুরু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি | |Katha24.com || Katha Media বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী রংপুরে নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের প্রথম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদে আজ পাস হলো ২৪টি বিল, চলতি অধিবেশনে মোট ৯১টি বিল অনুমোদিত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের নারী সাংবাদিকদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের নির্বাচন রিপোর্টিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন … রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ডন রংপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা, বৃদ্ধ ও কিশোরীসহ আহত অনেকে মিঠাপুকুরে বসতভিটায় হামলা: গাছ কেটে লাখ টাকার ক্ষতি, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ রংপুরে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন

শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে দেশে আর ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেওয়া হবে না: শিবির সভাপতি

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে এ দেশে আর ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবরের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমেই হাসিনা ১/১১-এর কালো অধ্যায় তৈরি করেছিলেন এবং সেই অধ্যায়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী কার্যক্রমের সূচনা হয়েছিল।

রাজধানীতে ছাত্রশিবিরের মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

এদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পূর্ব সভাপতি আসিফ আব্দুল্লাহ ও দক্ষিণ সভাপতি হেলাল উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠার পর মাত্র চার বছর অতিক্রান্ত হওয়ার মধ্যেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের চারজন ভাইকে হত্যা করা হয়। একটি ইটের ওপর মাথা রেখে আরেকটি ইট দিয়ে মাথা থেতলে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের অসংখ্য ভাইকে হত্যার পর লাশ গুম করা হয়েছে। এখনও অনেক পরিবার তাদের প্রিয়জনের লাশ পায়নি। হত্যার পর ভাইদের চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছিল। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত অতিক্রম করেছে। আল্লাহর মেহেরবানিতে এবং আমাদের শাহাদাতের পথ মাড়িয়ে আমরা ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছি।

সরকারের প্রতি দুটি দাবি জানিয়ে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ২৮ অক্টোবরের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের বীজ বোনা হয়েছিল। তাই এ হত্যাকাণ্ডের মামলাটি ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে পুনরায় চালু করে দ্রুত বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে, যাতে খুনিরা সর্বোচ্চ শাস্তি পায়। পাশাপাশি ২৮ অক্টোবর সারাদেশে নিহত ১৮ জন ভাইকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদের স্বীকৃতি প্রদান এবং তাদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানাই।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ