শিরোনাম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রংপুরে সভা দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন

শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে দেশে আর ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেওয়া হবে না: শিবির সভাপতি

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৬৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে এ দেশে আর ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবরের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমেই হাসিনা ১/১১-এর কালো অধ্যায় তৈরি করেছিলেন এবং সেই অধ্যায়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী কার্যক্রমের সূচনা হয়েছিল।

রাজধানীতে ছাত্রশিবিরের মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

এদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পূর্ব সভাপতি আসিফ আব্দুল্লাহ ও দক্ষিণ সভাপতি হেলাল উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠার পর মাত্র চার বছর অতিক্রান্ত হওয়ার মধ্যেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের চারজন ভাইকে হত্যা করা হয়। একটি ইটের ওপর মাথা রেখে আরেকটি ইট দিয়ে মাথা থেতলে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের অসংখ্য ভাইকে হত্যার পর লাশ গুম করা হয়েছে। এখনও অনেক পরিবার তাদের প্রিয়জনের লাশ পায়নি। হত্যার পর ভাইদের চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছিল। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত অতিক্রম করেছে। আল্লাহর মেহেরবানিতে এবং আমাদের শাহাদাতের পথ মাড়িয়ে আমরা ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছি।

সরকারের প্রতি দুটি দাবি জানিয়ে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ২৮ অক্টোবরের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের বীজ বোনা হয়েছিল। তাই এ হত্যাকাণ্ডের মামলাটি ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে পুনরায় চালু করে দ্রুত বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে, যাতে খুনিরা সর্বোচ্চ শাস্তি পায়। পাশাপাশি ২৮ অক্টোবর সারাদেশে নিহত ১৮ জন ভাইকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদের স্বীকৃতি প্রদান এবং তাদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানাই।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ