শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ‘মানবিক পুলিশ ইউনিট’ হয়ে উঠলো একজন অসহায় মানুষের শেষ ভরসা।

মো:ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ / ১৮৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫


জনমানব চলাচলপূর্ণ রাস্তায় পচনধরা পায়ে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন এক অজ্ঞাত ব্যক্তি। চারপাশে অসংখ্য মানুষের পদচারণা, তবুও কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। অবশেষে পাশে দাঁড়ালো রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ-যাদের ‘মানবিক পুলিশ ইউনিট’ হয়ে উঠলো একজন অসহায় মানুষের শেষ ভরসা।

ঘটনাটি রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকার। গত পাঁচদিন ধরে রাস্তায় অসুস্থ ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকা ওই ব্যক্তি ছিলেন চরম অবহেলার শিকার। দীর্ঘ চিকিৎসাহীনতায় তার এক পায়ে পচন ধরে, আক্রান্ত হয় অসংখ্য কীট-পতঙ্গের দ্বারা। সে দৃশ্য দেখে যে কারো হৃদয় কেঁপে উঠতে বাধ্য।

 

বিষয়টি কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জের নজরে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে ‘মানবিক পুলিশ ইউনিট’ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তারা সেখানে পৌঁছে প্রথমেই সংক্রমণ ঠেকাতে ওই ব্যক্তির পা পরিষ্কার করেন, প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং এরপর দ্রুত তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ৪ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন।

তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও, উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বোচ্চ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। মানবিক পুলিশ ইউনিটের সদস্যরা নিয়মিত তার খোঁজ নিচ্ছেন, ওষুধ, পরিচ্ছন্নতা ও সার্বক্ষণিক যত্ন নিশ্চিত করছেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, তার পরিচয় এখনও নিশ্চিত না হলেও তাকে অবহেলায় ছেড়ে দেয়া হয়নি। বরং একজন মানুষ হিসেবে যতটা যত্ন প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতেই তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের কণ্ঠে একটাই কথা- ‘এমন মানবিক পুলিশই তো আমাদের প্রয়োজন।’

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, ‘মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমাদের এই উদ্যোগ। শুধু আইন-শৃঙ্খলা নয়, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব।’এই দৃষ্টান্তমূলক মানবিকতায় সংশ্লিষ্ট সকল পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ