শিরোনাম
মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা একই পরিবারের ৪ মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন তথ্য, আটক ৩ রংপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আহত যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রংপুরে চিড়িয়াখানায় অসামাজিক কর্মকান্ডের অভিযোগে ২৭ তরুন-তরুনী আটক
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

রংপুরে তিস্তা নদীর ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসে অবস্থান কর্মসূচী

বার্তা প্রতিবেদক / ২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬


তিস্তা নদীর ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে রংপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস ঘেরাওসহ অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে ক্ষতিগ্রস্থরা। রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে গঙ্গাচড়া উপজেলার ভাঙ্গনের শিকার নোহালী, কোলকোন্দ ইউনিয়নের চরে বসবাস করার শতাধিক ভুক্তভোগী মিছিল নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস ঘেরাও করে। এরপর তারা কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভের পর অবস্থান কর্মসূচী পালন করে। ঘন্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, এনসিপি’র জেলা আহ্বায়ক আল মামুন, বাগডোহরার কৃষক মফিজ উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, ফজলু মিয়াসহ অন্যরা।
এতে বক্তারা বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পকেট উন্নয়ন বোর্ডে পরিণত হয়েছে। তারা ইচ্ছেমত ভাঙ্গন রোধে নামে মাত্র কাজ করা, ঠিকাদার নিয়োগসহ তিস্তা নদী শাসনের নামে অনিয়ম-দূর্নীতি করে চলেছে। চলতি বছর যেসব এলাকায় ভাঙ্গন দেখা গেছে, গত ৩-৪ বছর ধরে সেখানে ভাঙ্গন রোধে কাজ করার দাবী জানিয়ে আসছে নদীপাড়ের মানুষ। গত ১৫ আগেও ভাঙ্গনের শংঙ্কায় যে স্থানে কাজ করার দাবী জানানো হয়েছিল, কাজ না হওয়ায় সেখানকার প্রায় ৪৬টি বাড়ি গত এক সপ্তাহে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে তিস্তাপাড়ের মানুষ। তারা এখন পর্যন্ত কোথাও মাথা গোঁজার ঠাঁই পায়নি। অপরদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা আশ^াস ও পরিদর্শনে তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রেখেছে। অবিলম্বে ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধের হুশিয়ারী দেন নদী ভাঙ্গনের শিকার মানুষেরা। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম অবস্থান কর্মসূচীতে অংশ নেয়া মানুষদের নদী ভাঙ্গন রোধে দপ্তরের উদ্যোগের কথা জানান। পরে আশ^াসের প্রেক্ষিতে আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ান তারা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, তিস্তা নদীর ডান তীরে শহরসহ মানুষের বসবাস ও আবাদী জমি রয়েছে। তাই ডান তীরে বাঁধ দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়েছে। কিন্তু বামতীরের দিকে তিস্তা নদী কয়েকটি চ্যানেল দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তাই দ্বীপ চরে ভাঙ্গন প্রতিরোধে স্থায়ী কোন পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ নেই। ফলে সেই সমস্ত দ্বীপ চরে বসবাসকারীরা প্রতি বছর ভাঙ্গনের শিকার হন। যেহেতু দ্বীপ চরগুলোতে মানুষ বসবাস করে, তাই তাদের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা জিও ব্যাগ ফেলে, বাঁশের পাইলিং করে ভাঙ্গন প্রতিরোধে কাজ করছি। তিস্তা নিয়ে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ