শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন

রংপুরে সমন্বয়কের মা পরিচয়ে যুবদলকর্মীর নামে মামলা, মামলা তুলে নিতে চেয়েছেন দেড় লাখ টাকা

ডেস্ক নিউজ : / ১৯৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫

তুচ্ছ ঘটনায় যুবদলকর্মী মজিদুল ইসলাম লিমনের বিরুদ্ধে সমন্বয়কের মা পরিচয়ে মামলা করেছেন এক নারী। শুধু মামলা করেই ক্ষান্ত হননি, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চেয়েছেন দেড় লাখ টাকা। টাকা না পেলে আরো মামলার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রংপুর নগরীর রঙ্গপুর সাহিত্য পরিষদ হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এমন ঘটনা তুলে ধরেন ভুক্তভোগী যুবদলকর্মী।

মজিদুল ইসলাম বলেন, গত ১১ জানুয়ারি নগরীর নুরপুর ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান মজনুর স্ত্রী ছবি বেগমের ছাগল তাদের চারাগাছ খেয়ে ফেললে তারা সেটি ধরে উঠানে বেঁধে রাখেন। পরে ছবি বেগম ছাগল নিতে এলে তার মা বাধা দিলে তিনি অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ছবি বেগমের স্বামী মিজানুর রহমান মজনু ও তার ছেলেমেয়েসহ অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজন লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে আমার মাকে মারপিট করে এবং আমাদের দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও মালামাল তছনছ করে।

এতে দোকানের ক্ষতি করে এবং ক্যাশ বাক্সে থাকা মালামাল ক্রয়ের সাত হাজার ৮০০ টাকা নিয়ে যায়। আমাদের চিৎকারে অন্যরা এগিয়ে এলে তারা আমাদের হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

ওই ঘটনায় ১৩ জানুয়ারি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ আমাদের মামলা নেয়নি। উল্টো ২৩ জানুয়ারি তাদের মামলা গ্রহণ করে। ছবি বেগমের মেয়েরা আবির নামে এক সমন্বয়কের মাধ্যমে মামলাটি এন্ট্রি করান বলে জানা গেছে।

ছবি বেগম একজন মামলাবাজ নারী। তিনি মামলা দিয়ে হয়রানি করেন এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিলে মামলা তোলেন, না দিলে আরো মামলা দেওয়ার হুমকি দেন। এভাবে ইতোমধ্যে তিনি ২০-২৫ জনের নামে মামলা করেছেন। ছবি বেগমের তিন মেয়ে রয়েছে। তারাই তার শক্তি। এই মেয়েরা কখনো সমন্বয়ক পরিচয় দেন, একটু উনিশ-বিশ হলেই নারী নির্যাতনের মামলার ভয়ভীতি দেখান।

তিনি আরো বলেন, আমি ছাত্রাবস্থায় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলাম। বর্তমানে ২৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য। অথচ আমার নামে আওয়ামী লীগের ট্যাগ লাগিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানির অপচেষ্টা চালাচ্ছে ছবি বেগম গং।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই যুবদলকর্মী মামলাবাজ ছবি বেগমকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি তুলে তার ও পরিবারের নামে মিথ্যা মামলা তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে মোকছেদ আলী, মাজিদুল ইসলাম, মাইদুল ইসলাম, ছোবেদা বেগম, পারভীনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সূএ : আমার দেশ অনলাইন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ