গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ব্যর্থ করতে কয়েকটি দল নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। তিনি বলেছেন, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা, নির্বাচনী প্রস্তুতি ও বিএনপির পক্ষে জনজোয়ার দেখে কিছু দল হাংকি-পাংকি শুরু করেছে। নির্বাচনের জন্য মুখিয়ে থাকা জনগণের জোয়ারে সব হাংকি-পাংকি ভেসে যাবে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের ইজারা পাড়ায় ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।
নেতাকর্মী ছাড়াও কয়েক হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সম্মেলন নির্বাচনী জনসভায় পরিণত হয়। এর আগে আজ সকালে তিনি ধোবাউড়া উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের মুন্সিরহাট জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আলেম-ওলামাদের সাথে, দুপুরে মুন্সিরহাট মুসলিম ইনস্টিটিউশন ও মুন্সিরহাট ফাজিল মাদরাসায় শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি এলাকার বুজর্গ ব্যক্তিত্ব মরহুম মওলানা আব্দুল জব্বারের মাজার জিয়ারত করে ফতেহা পাঠ করেন।
এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, যারা জনগণের রায় ছাড়াই ঘি খেতে চান, তাদের ওপর আওয়ামী প্রেতাত্মা ভর করেছে।
আওয়ামী নেত্রী যেমন ৯০ পরর্বতীতে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে ধাক্কা-ঝাঁকি দিয়ে গণতন্ত্র শেখানোর নামে গণতন্ত্রের বিনাশ করতে চেয়েছিলেন, জামায়তের নেতারা তেমনি তাদের এককালের নেত্রীর দেখানো পথে আঙুল বাঁকা করে ঘি তোলার নামে গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা নস্যাৎ করতে চাচ্ছেন।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে ৯০ পরবর্তী পুরাতন ঐক্য নতুন করে হয়েছে কি না, জনগণ তা জানতে চায়। পলাতক ফ্যসিবাদের হুংকারের পর পর তাদের এককালের দোসরদের হুংকার শুনে জনগণের মনে সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জনগণ এসব হুংকার বরদাশত করবে না।
তিনি জনগণের প্রতি নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেকোনো মূল্যে ফেরুয়ারিতেই নির্বাচন হতে হবে। নচেৎ দেশ মহা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে।
নেতাকর্মীদের প্রতি ঘরে ঘরে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সালাম পৌঁছে দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, শুধু ভোট চাইলেই হবে না। ভোটের পর ধানের শীষের সরকার জনগণকে কী উপহার দেবে, তাও বলতে হবে।