শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন

প্রতিবেশীর সেপটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ শিশুর লাশ, অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন

স্থানীয় রিপোর্ট / ৩০৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এক নিখোঁজ শিশুর লাশ প্রতিবেশী মমিনুল ইসলামের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে, লাশ উদ্ধারের পরপরই বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনাটি ঘটে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ছিট মালিয়ানি এলাকায়।

নিহত শিশু মুরসালিন মিয়া (৮) ছিট মালিয়ানি এলাকার মশিউর রহমান মুছা ও মনজু দম্পতির ছেলে। তার পরিবারের দাবি, প্রতিবেশী মমিনুল ইসলাম (২২) এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী। মমিনুল ঘটনার পর থেকে পলাতক আছেন।

নিহতের পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মুরসালিনের বাড়িতে তাঁর বড় ভাইয়ের বিয়ের আলোচনা চলছিল। সেই সময় মমিনুল মুরসালিনকে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে মুরসালিনের মা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি মমিনুলের বাড়িতে গিয়ে মুরসালিনের কথা জিজ্ঞাসা করলে মমিনুল ও তাঁর মা মহসেনা বেগম শিশুটিকে দেখেননি বলে জানান। কিছুক্ষণ পর আবারও গেলে তাঁরা দরজায় তালা লাগিয়ে সরে পড়েন এবং মমিনুলের নানা মহর উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে আত্মগোপন করেন। পরে মমিনুলের মা ও নানি প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম ও আজির রহমানের বাড়িতে লুকিয়ে থাকেন।

মুরসালিনের পরিবার শুক্রবার মাইকিং করে নিখোঁজের খবর প্রচার করে। পরদিন শনিবার রাত ৮টার দিকে মমিনুলের বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান স্বজনেরা। এরপর ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

শিশুটির লাশ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তারা অভিযুক্ত মমিনুল ও তার নানার বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মোফাজ্জল হোসেন জানান, দুটি বাড়ির তিনটি শয়নকক্ষসহ মোট পাঁচটি ঘরের আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এ ঘটনায় পুলিশ মমিনুলের মা মহসেনা বেগম ও বোন ফাহিমা খাতুন এবং মমিনুলকে প্রশ্রয় দিয়ে পালানোয় সহায়তা করার অভিযোগে প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী মঞ্জু বেগমকে আটক করে। পরে নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আটক চারজনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ওসি রেজাউল করিম রেজা জানান, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ