শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন

পঞ্চগড়ে ছেলের গলায় ছুরি ধরে মাকে গণধর্ষণ

স্থানীয় রিপোর্ট / ২৮০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫

পঞ্চগড়ে দেড় বছর বয়সী ছেলের গলায় ছুরি ধরে মাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৪ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ জুলাই) বিকেলে এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। এর আগে, শুক্রবার দিবাগত রাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার তিন মাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের জগদল বাজার এলাকার জনি ইসলাম (২৭), বিপ্লব হোসেন (২৫), মকছেদুল ইসলাম (৩৩) এবং সাতমেড়া ইউনিয়নের বদিনাজোত এলাকার সাদেকুল ইসলাম (২৮)।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামান বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে দ্রুত সাড়ে তিন মাইল এলাকায় যাই। সেখানে অচেতন অবস্থায় এক নারী এবং তার সঙ্গে থাকা একটি দেড় বছরের ছেলে শিশুকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী বলেন, আমার ছেলের হঠাৎ ডায়রিয়া হওয়ার কারণে রাতে বাবার বাড়ি জগদলের উদ্দেশ্য বোদা উপজেলার জেমজুট এলাকা থেকে গাড়িতে করে পঞ্চগড়ে আসি। এরপর জগদলের অটোতে (ব্যাটারি চালিত থ্রি হুইলার) করে তিনমাইল পর্যন্ত আসি। এসময় আমাদের অটোর পেছনে থাকা এক পরিচিত অটোচালক আমাকে নামতে বলে। আমি অটো থেকে নামার সাথে সাথে ৬টা ছেলে কেউ আমার হাত, কেউ মুখ, কেউ গলা চেপে ধরে একটা চা পাতার বাগানে নিয়ে যায়। এসময় তাদের কাছে আমি অনেক আকুতি মিনতি করি।

আমি যেন না চিৎকার করি সেজন্য আমার ছোট বাচ্চার গলায় ছুড়ি ধরে, তখন আমি নিরুপায় হয়ে যাই। এসময় আমি ছয়জনের মধ্যে চার জনকে চিনতে পারি। তারা চলে যাওয়ার সময় আমার মুখে কি জানি স্প্রে করলো, তারপর আর কিছু বলতে পারি না।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর বড় ভাই বলেন, রাত দেড়টায় পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখি বোনের শরীরে অনেক রক্ত ছিল। অজ্ঞান অবস্থায় ছিল। আমার বোনের সঙ্গে যারা এমন অমানবিক কাজ করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ