শিরোনাম
রংপুরে নিখোঁজের একদিন পর শিশু সানজিদার লাশ উদ্ধার জমি নিয়ে বিরোধে হামলায় নারীসহ গুরুতর আহত ৫ রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে রাস্তায় আলু ফেলে চাষীদের বিক্ষোভ-মহাসড়ক অবরোধ রংপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু হোটেল কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে মালিক মিঠাপুকুরে মিশুক ছিনতাইকারী নারী আটক ব্র্যাক সীডের উদ্যোগে টেকসই ও নিরাপদ কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইন্টার্ণদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবীতে রংপুরে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার অভিযুক্ত।

আশিকুর রহমান রনি; পঞ্চগড় প্রতিনিধি / ১৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে জামাল উদ্দিন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজ রবিবার বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ । এর আগে গতকাল শনিবার রাতে ওই ভুক্তভোগী মাদ্রাসার ছাত্রীর নানী বাদী হয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর রাতেই উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের ঠুনঠুনিয়া এলাকায় তার বাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক জামাল উদ্দিন একই এলাকার আলী হোসেনের ছেলে। এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার ওই ছাত্রী ছোট থেকেই নানীর বাড়িতে বসবাস করেন৷ ধর্ষণের শিকার হওয়া ছাত্রী স্থানীয় একটি নুরানী মাদ্রাসায় লেখা পড়া করা অবস্থায় মাঝেমধ্যে তার নানীর বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। এদিকে গত ১৭ জানুয়ারি সকালে ওই মাদ্রাসার ছাত্রী তার নানীর বাড়ির পাশে অভিযুক্ত জামাল উদ্দিনের বাড়িতে ফ্রিজ থেকে মুরগী মাংস আনতে গেলে জামাল উদ্দিন বাড়ীতে লোকজন না থাকায় ওই মাদ্রাসার ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন। এতে ওই মাদ্রাসার ছাত্রী সাড়া না দিলে জামাল উদ্দিন ক্ষিপ্ত ও রাগান্বিত হয়ে ওই মাদ্রাসার ছাত্রীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিক বার ধর্ষণ করেন৷ তারপর হতেই ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দীর্ঘ দিন ধরে ধর্ষণ করে আসেন জামাল উদ্দিন এবং একপর্যায়ে ওই মাদ্রাসা ছাত্রী অন্তঃস্বত্বা হয়ে পড়েন৷মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, আসামি জামাল উদ্দিন ঘটনার দায় স্বীকার করলেও পরে তিনি তার স্ত্রী ও ভাইসহ আসামিদের সহযোগিতায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। গত ১৪ জুন সকালে ভিকটিমকে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় আসামীরা পরে তাকে উদ্ধার করে তার পরিবার। এ ঘটনায় মাদ্রাসার ছাত্রী বিচার না পাওয়ায় তার নানী মামলা দায়ের করলে রাতেই পুলিশ জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে।

এজাহারে জামাল উদ্দিন ছাড়াও আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জামাল উদ্দিনের ভাই ও স্ত্রীকে আসামী করা হয়৷ এদিকে মামলার বাদী ও ওই মাদ্রাসার ছাত্রীর নানী জানান,ভুক্তভোগী আমার ননদের নাতনি । ছোটবেলা থেকে নাতনি আমার ননদের কাছে বড় হয়েছে। কয়েক মাস আগে তার নানী মারা গেলে নাতনির দায়িত্ব আমি ও আমার পরিবার নিই। অভিযুক্ত জামাল প্রথম দিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও পরবর্তীতে তালবাহানা শুরু করেন। তাই বিচার না পেয়ে আমরা আইনে আশ্রয় নিয়েছি। তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া জানান, আসামি জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ