শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে শিক্ষক হয়রানির অভিযোগ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি / ১৪৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ মেহেদী উল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে আশরাফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। লিখিত অভিযোগ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পর বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

জানা যায়, আশরাফুল ইসলাম সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি তদন্ত কমিটিতে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে ফোকলোর বিভাগে প্রভাষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে এবং ওই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পান মেহেদী উল্লাহ।

তবে অভিযোগকারী আশরাফুল ইসলাম নিজেও ওই নিয়োগের প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচিত না হওয়ায় ক্ষোভ থেকেই মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন বলে দাবি করেন মেহেদী উল্লাহ।

অভিযোগে বলা হয়, বিজ্ঞপ্তিতে একটি মাত্র পদ উল্লেখ থাকলেও শেষ পর্যন্ত নিয়োগ দেওয়া হয় দুজনকে। অভিযোগকারীর দাবি, ড. মেহেদী উল্লাহর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিজ্ঞপ্তির শর্ত পূরণ করেনি এবং তার পুরস্কার ও গবেষণাপত্রও স্বীকৃত নয়। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়েই তিনি নিয়োগপ্রাপ্ত হন বলে অভিযোগ করেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে মেহেদী উল্লাহ বলেন, “বিজ্ঞপ্তির শর্ত পূরণ করেই আবেদন করি। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রথম হই এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ পাই। কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা আর্থিক লেনদেন হয়নি।” তিনি আরও জানান, ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখি করছেন, তার ১৩টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে এবং ২০১৩ সালে তিনি জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের বিজ্ঞপ্তিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫০ চাওয়া হলেও ‘বিশেষ যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থীর’ ক্ষেত্রে শর্ত শিথিলের সুযোগ ছিল। প্রকাশিত গ্রন্থ বা জাতীয় পুরস্কারকে বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে ধরা হবে এ বিষয়টি নিয়োগ বোর্ডের এখতিয়ারেই নির্ধারিত ছিল।

এদিকে একটি কল রেকর্ড ফাঁস হয়েছে, যেখানে আশরাফুল ইসলামকে মেহেদী উল্লাহর কাছে অন্য শিক্ষকদের ব্যক্তিগত নথি চাইতে শোনা যায়। মেহেদী উল্লাহর দাবি, তিনি নথি দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ক্ষুব্ধ হয়ে আশরাফুল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলেন। যদিও আশরাফুল কল রেকর্ডের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, “অভিযোগগুলো তদন্ত কমিটি খতিয়ে দেখছে। কাজ এখনো শেষ হয়নি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ