শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মঞ্চস্থ হলো প্রতীকধর্মী নাটক ‘ডেথ নক’

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি / ৯৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের উদ্যোগে মঞ্চস্থ হলো প্রতীকধর্মী নাটক ‘ডেথ নক’। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হায়দার থিয়েটার ল্যাব-এ নাটকটি প্রদর্শিত হয়। নির্দেশনা দিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শাহিন আলম।

নাটকটি মৃত্যুর অনিবার্যতা, সময়ের অনিশ্চয়তা ও মানুষের অস্তিত্ববোধকে কেন্দ্র করে নির্মিত। রহস্যময় এক আগন্তুকের আগমনকে কেন্দ্র করে মানুষের অন্তর্গত ভয়, অপরাধবোধ ও জীবনের শেষপ্রান্তে এসে নিজের সত্তা খুঁজে পাওয়ার প্রয়াস এই থিমেই আবর্তিত হয়েছে নাটকটির মূল বয়ান।

প্রদর্শনী দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্দেশক মো. শাহিন আলম বলেন,

“ডেথ নক আমার কাছে শুধু একটি নাটক নয়, এটি এক আত্মসমালোচনার যাত্রা। আমরা প্রতিদিন জীবনের ব্যস্ততায় মৃত্যুর অবশ্যম্ভাবিতাকে ভুলে যাই। এই নাটকের মাধ্যমে আমি দর্শককে সেই অজানা মুহূর্তের সামনে দাঁড় করাতে চেয়েছি, যেখানে জীবন, সময় ও মৃত্যু—তিনটি রেখা এক বিন্দুতে এসে মিলে যায়।”

তিনি আরও বলেন,

“আমার সহশিল্পী, দলীয় সদস্য ও দর্শকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তাদের ভালোবাসা ও অংশগ্রহণই এই প্রযোজনাকে জীবন্ত করেছে। নাটকটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রত্যেক ‘নক’ হয়তো শেষ নয়, বরং নতুন কোনো উপলব্ধির দরজা খোলার আহ্বান।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষকরা জানান, এই প্রযোজনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সৃজনশীলতা, মঞ্চনির্মাণ ও ভাবধারার দিক থেকে নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরেছে। তাদের প্রচেষ্টা দেশের নাট্যচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ