শিরোনাম
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন

দিনাজপুর খানসামা উপজেলায় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে আলু মজুদ, ক্লাস না করে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের

ডেস্ক নিউজ / ৯৭৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫

দিনাজপুর খানসামা উপজেলার উত্তর নলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ ও ৮ম শ্রেণির দুটি কক্ষে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি আলু মজুদ করেছেন। এতে পাঠদান ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস না করেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন টিনশেডের দুটি কক্ষে মেঝে জুড়ে আলু রাখা হয়েছে। স্কুলের বারান্দাতেও রাখা রয়েছে বস্তাভর্তি আলু। শ্রেণিকক্ষের বসার ব্রেঞ্চগুলো একপাশে সরিয়ে রাখা হয়েছে, ফলে শ্রেণিকক্ষগুলো পাঠদানের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস না করেই বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে। এতে অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র অসন্তোষ।

 

স্থানীয়রা জানান, ঈদের ছুটির সময়ে তোফাজ্জল হোসেন শাহ নামের এক স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি স্কুলের শ্রেণিকক্ষে আলু সংরক্ষণ করেন। ঈদের ছুটি শেষে স্কুল খোলার পরও তিনি আলুগুলো না সরানোয় নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে বসতে না পেরে বাধ্য হয়ে ক্লাস না করে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।

স্কুল শিক্ষার্থী রাকিব ইসলাম বলেন, আমরা স্কুলে আসি কিন্তু ক্লাস হয় না। ক্লাস রুমে আলু রাখার কারণে আমরা ক্লাস করতে পারছি না। হাজিরা দিয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, কার অনুমতিতে স্কুলের শ্রেণিক্ষকে আলু রাখা হলো এটা তদন্ত করলে বুঝতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের ক্লাস হচ্ছে না ঘুরে চলে যাচ্ছে। প্রধান শিক্ষক তো কিছুই বলে না আমাদের কি করার।

এবিষয়ে অভিযুক্ত তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মহসিন আলী বলেন, স্কুল বন্ধের সময় তিনি শ্রেণিকক্ষে আলু রেখেছেন। তাকে একাধিকবার অনুরোধ করলেও আলু সরাননি। পুনরায় অনুরোধ করব। তাতেও কাজ না হলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাব।

খানসামা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনজুরুল হক বলেন, ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশে ইতোমধ্যেই আলু অপসারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কারো গাফিলতি থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ