রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহের কাছে ড্রাম থেকে রংপুরের ব্যবসায়ী আশরাফুল হকের (৪৩) খণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মূল আসামিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে আশরাফুলের বন্ধু জরেজ ও তাঁর প্রেমিকা শামীমা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জরেজকে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরে আশরাফুল হককে হত্যার পর তার লাশ ২৬ টুকরায় খণ্ড-বিখণ্ড করা হয়। পরে টুকরাগুলো প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে রাজধানীর হাইকোট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের কাছে ফেলা যাওয়া হয়।
এর আগে আশরাফুল হকের বোন আনজিরা বেগম বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় জরেজুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
স্বজনরা জানান, আশরাফুল ছিলেন কাঁচামালের ব্যবসায়ী। গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে বন্ধু জরেজের সঙ্গে বাড়ি থেকে ঢাকায় যান আশরাফুল হক। পরদিন বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত ৯টা পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। এরপর থেকে আর তার খোঁজ পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য যে, বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত কেন্দ্রীয় ঈদগাহের পাশে নীল রঙের একটি ড্রামের ভেতর থেকে আশরাফুল হকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিন রাতেই খণ্ডিত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
আশরাফুল রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ ও আলু আমদানি করতেন।