শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন

চেয়ারে বসা নিয়ে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের হাতাহাতি

ডেস্ক রিপোর্ট / ১২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক সমিতি কর্তৃক অবৈধ বাসস্ট্যান্ড ও দোকানপাট অপসারণের জন্য আয়োজিত আলোচনা সভায় চেয়ারে বসা নিয়ে শাখা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটসংলগ্ন বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটের পাশে এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়াল ও মাহামুদুল হাসানের অনুসারীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভাশেষে চেয়ারে বসার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে হঠাৎ দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় রবিউল আউয়ালের গ্রুপের কয়েকজন জুনিয়র সদস্য মাহমুদুল হাসানের কলার ধরে ধাক্কা দেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মাহমুদুলের অনুসারীরাও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। যদিও উত্তেজনা বেশি সময় স্থায়ী হয়নি।

দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম এ ঘটনার বিষয়ে বলেন, “ক্যাম্পাসে এমন সামান্য বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি বা গালিগালাজ করা কখনোই কাম্য নয়।”

ঘটনার বিষয়ে যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান বলেন, “আমাকে মারধরের অভিযোগ সত্য নয়। ছোট ভাইদের সঙ্গে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, যা হিমেল ভাই ও আরেফিন ভাই সমাধান করে দিয়েছেন।”

আরেক গ্রুপের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়াল বলেন, “আমি তখন খেতে গিয়েছিলাম। আমার কিছু জুনিয়র হয়তো উত্তেজনায় হাত তুলেছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ও যেহেতু আমার ছোট ভাই, আমি কি ওকে মারতে পারি? আমরা নিজেদের মধ্যে বিষয়টি মিটিয়ে নিচ্ছি।”

এ নিয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “এটি বড় কোনো ঘটনা নয়। সামান্য ধাক্কাধাক্কি হয়েছে, আমরা বসে সমাধান করেছি। শিক্ষার্থী বান্ধব ক্যাম্পাসে এ ধরনের ঘটনা অবশ্যই কাম্য নয়, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ