শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন

চেয়ারে বসা নিয়ে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের হাতাহাতি

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক সমিতি কর্তৃক অবৈধ বাসস্ট্যান্ড ও দোকানপাট অপসারণের জন্য আয়োজিত আলোচনা সভায় চেয়ারে বসা নিয়ে শাখা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটসংলগ্ন বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটের পাশে এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়াল ও মাহামুদুল হাসানের অনুসারীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভাশেষে চেয়ারে বসার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে হঠাৎ দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় রবিউল আউয়ালের গ্রুপের কয়েকজন জুনিয়র সদস্য মাহমুদুল হাসানের কলার ধরে ধাক্কা দেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মাহমুদুলের অনুসারীরাও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। যদিও উত্তেজনা বেশি সময় স্থায়ী হয়নি।

দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম এ ঘটনার বিষয়ে বলেন, “ক্যাম্পাসে এমন সামান্য বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি বা গালিগালাজ করা কখনোই কাম্য নয়।”

ঘটনার বিষয়ে যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান বলেন, “আমাকে মারধরের অভিযোগ সত্য নয়। ছোট ভাইদের সঙ্গে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, যা হিমেল ভাই ও আরেফিন ভাই সমাধান করে দিয়েছেন।”

আরেক গ্রুপের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়াল বলেন, “আমি তখন খেতে গিয়েছিলাম। আমার কিছু জুনিয়র হয়তো উত্তেজনায় হাত তুলেছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ও যেহেতু আমার ছোট ভাই, আমি কি ওকে মারতে পারি? আমরা নিজেদের মধ্যে বিষয়টি মিটিয়ে নিচ্ছি।”

এ নিয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “এটি বড় কোনো ঘটনা নয়। সামান্য ধাক্কাধাক্কি হয়েছে, আমরা বসে সমাধান করেছি। শিক্ষার্থী বান্ধব ক্যাম্পাসে এ ধরনের ঘটনা অবশ্যই কাম্য নয়, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ