শিরোনাম
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ এসপিজিআরসি’র নেতা এম নাসিম খানের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে নানা কর্মসূচী পালিত মাদকসেবনে বাঁধা দেয়ায় শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন

চেয়ারম্যানের গাড়ির তেলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি / ২৬৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

অভিনব কায়দায় উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ির তেলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ইউএনও-এর বিরুদ্ধে। গাড়িতে তেল না নিয়ে ভুয়া ভাউচার করে বিল উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

উপজেলা রাজস্ব তহবিল খাত থেকে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের (উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি) জীপগাড়িতে ( ঠাকুরগাঁও-ঘ-০০৩০) জানুয়ারি হতে এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত শহরের রুপসী বাংলা অয়েল ব্যাংক পাম্প থেকে ১ লাখ ৩ হাজার ৮১৮ টাকার। এছাড়াও মে-জুন মাসে ৫৯ হাজার ২২৮ টাকা, জুন-জুলাই মাসে ৬৭ হাজার ৪২৯ টাকার তেল ক্রয় দেখানো হয়েছে।

রুপসি বাংলা অয়েল ব্যাংক গেলে দেখা যায় উল্টো চিত্র। গেল ৪ মাসে প্রশাসকের গাড়িতে জ্বালানি নেওয়া হয়েছে ৩১ হাজার ৫৫৩ টাকার। মার্চ মাসে ৫ হাজার ৭৪ টাকা, এপ্রিলে ৭ হাজার ৪৩ টাকা,মে মাসে ৬ হাজার ২৯৩ টাকা এবং জুনে ১৩ হাজার ১৪৩ টাকা। পাশাপাশি

পতিত সরকারের আমলে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারুল ইসলাম সরকারের ৬৭ হাজার ৪২৯ টাকার বকেয়া বিল পরিশোধ করেছেন উপজেলা পরিষদ।

রুপসী বাংলা অয়েল ব্যাংকের ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম হক বলেন, চলতি বছরে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ৩১ হাজার ৫৫৩ টাকার তেল নিয়েছেন৷ পূর্বের বকেয়া ৬৭ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন৷ এর বাইরে চেয়ারম্যানের গাড়িটি কোন তেল নেননি৷ লক্ষাধিক টাকার ভাউচারটির সাথে পাম্পের কোন সম্পৃক্ততা নেই৷

গাড়িচালক রমজান আলী বলেন, আমি শুধু তেল নেয়। ভাউচার করার দায়িত্ব আমার নেই। ভাউচার করেন উর্ধতন কর্মকর্তারা। গত ৪ মাসে ৩১ হাজার ৫৫৩ টাকার তেল নিয়েছি৷ ১ লাখ ৩ হাজার ৮১৮ টাকার ভাউচার প্রশাসক স্যার করেছেন৷ সেটা তিনি আর পাম্প মালিকের বিষয়৷ সেটা সম্পর্কে আমি জানিনা। আমি শুধুমাত্র ভাউচারটি জমা দিয়েছি।

উপজেলা প্রশাসনের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেবা খাতুন বলেন, খরচের বিল করার ক্ষমতা আমার নেই। ইউএনও স্যার যা করতে বলেন সেটুকু করি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কথা বলতে নারাজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম। আগের আমলে চেয়ারম্যান লাখ লাখ টাকা লুটপাট করেছেন তখন আপনারা কোথায় ছিলেন? এমন মন্তব্যে করে বক্তব্য দেবেন বলে জানান তিনি৷

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা বলেন, অভিযোগ গুলোর সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য যে, এছাড়াও সরকারি গাড়ি নিয়ে নিজ বাড়িতে যাতায়াত, একই ক্রয়কৃত মালামালের একাধিক বার ভাউচার,বিভিন্ন ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ