শিরোনাম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রংপুরে সভা দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন

খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে দেশের কোনো ইতিহাস রচিত হবে না: চসিক মেয়র

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৫০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে দেশের কোনো ইতিহাস রচিত হবে না।

শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে নগরীর নাসিরাবাদ কনভেনশন হলে বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের পক্ষ থেকে ভোটার এবং নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

চসিক মেয়র বলেন, ‘স্বৈরাচারী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে যখন আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছিল, তখনই আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, এরশাদের সঙ্গে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না।

১৯৮৬ সালে চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে খালেদা জিয়া এ ঘোষণা দেন। তখন শেখ হাসিনাও একই কথা বললেও ঢাকায় গিয়ে তিনি এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেন। অথচ বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি।’

বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণেই এরশাদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত হয়েছিল।

অন্যথায় এরশাদের পতন ১৯৮৬ সালেই হতো। ১৯৮৮ সালেও আন্দোলনের মুখে এরশাদ নির্বাচনের ঘোষণা দিলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কারণে। এর পরপরই আন্দোলন জোরদার হয়। সেসময় আমি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম।’

১/১১ এর সময়কার প্রসঙ্গ টেনে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনাকে বিদেশে পাঠানো হয়। সে সময় মনের আনন্দে হাতে মেহেদি নিয়ে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে বলা হলেও তিনি দেশ ত্যাগ করেননি। তিনি বলেছিলেন ‘যদি বাঁচতে হয় এ দেশেই বাঁচব, মরতে হলে এ দেশেই মরব।’ শেখ হাসিনা কুকর্মের বৈধতা দিতে রাজি হওয়ায় ২০০৮ সালে তাকে ক্ষমতায় বসানো হয়। আর খালেদা জিয়া বৈধতা দিতে রাজি হননি। এজন্যই ১৬ বছর ধরে নির্বিচারে হত্যা, গুম, মামলা-হামলা চলছে।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করি।’

ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ডা. এস এম সারোয়ার আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব ডা. রিফাত কামাল রনির পরিচালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ড্যাব চমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দীন আহমেদ মানিক প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ