শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আবার কোটা চালু কি বাটপারি নয়, প্রশ্ন ঢাবি অধ্যাপকের

ডেস্ক রিপোর্ট / ২১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন মনে করেন, কোটার বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পর যদি আবার সেই কোটা ব্যবস্থা চালু করা হয়, তাহলে তা হবে ‘বাটপারি’।

সোমবার (১৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত স্ট্যাটাসে তিনি এই মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন— “কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে এখন আবার কোটা চালু করা কি বাটপারি নয়?”

ড. মামুন আরও লিখেছেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান, কোটা, জাতীয় সংস্কারক, ‘জাতীয় বীর’, দেশের ৬৪টা জেলায় ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’— এসব কিছুকে এখন পণ্যে রূপান্তরিত করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অভ্যুত্থানের মূল্যবোধের চেয়ে এখন যেন ব্যক্তিগত স্বার্থ বড় হয়ে উঠছে।

তিনি আরও যুক্ত করেন, “যা করা দরকার, যা করলে দেশের ও দেশের মানুষের মঙ্গল হয়—সেদিকে কারও নজর নেই। তাহলে আগের শাসকের সঙ্গে পার্থক্য কোথায়? জুলাই অভ্যুত্থানে মানুষ কি কোনো দলের স্বার্থে নেমেছিল, নাকি ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য? তাহলে এখন কেন সবাই ‘পয়েন্ট স্কোরিং’ খেলায় মেতে উঠেছে?”

ড. মামুনের মতে, একদিকে কোটাবিরোধী আন্দোলন এবং অন্যদিকে একই দাবিদারদের কোটা পুনর্বহালের পক্ষাবলম্বন—এই দ্বৈত মানসিকতা জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। ব্যক্তিস্বার্থ, রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি কিংবা ‘বীর’ তকমা পাওয়ার প্রতিযোগিতা—এসব থেকে বের হয়ে সত্যিকার অর্থে সংস্কার ও জনকল্যাণের রাজনীতি প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ