শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন

কাগজে-কলমে উন্নয়ন, বাস্তবচিত্র ভিন্ন, কাবিটা প্রকল্পে পিআইও’র বিরুদ্ধে  দুর্নীতির অভিযোগ

আরিফুল ইসলাম আরিফ, প্রতিনিধি লালমনিরহাট (সদর) / ২২৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় এক প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করেই বরাদ্দের টাকা ভাগাভাগি করে নেওয়ার অভিযোগ  উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এইচ.এম মাজহানুর রহমানের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে এলজিইডির অর্থায়নে ভোটমারী ইউনিয়নের আতোয়ারের বাড়ির সামনে ৬৬০ মিটার রাস্তা সংস্কারের জন্য ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই ওই টাকার ৩ লাখেরও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয় জালাল মিয়া বলেন, প্রায় চার মাস আগে কিছু লোক এসে সামান্য অংশে মাটি চাপা দিলেও পুরো রাস্তার কাজ শেষ করেনি। এরপর থেকে আর কেউ কাজ করতে আসেনি।

একই এলাকার দোকানদার দুলাল হোসেন বলেন, রাস্তার কাজ শেষ না করেই টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। আমরা নিজেরাই রাস্তা মেরামত করে চলাচলের ব্যবস্থা করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভোটমারী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রশিদা বেগম বলেন, আমি এ প্রকল্পের কাজ করিনি। পিআইও দপ্তর থেকেই বরাদ্দের টাকা তোলা হয়েছে। আমি শুধু শুনেছি, কাজ সম্পন্ন হয়েছে।তবে এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এইচ. এম মাজহানুর রহমান বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন। কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে আমি প্রতিবেদন দিই। সব কিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে।

তবে এলাকাবাসী দাবি করেছেন, পিআইও অফিসের যোগসাজশেই নামমাত্র কাজ করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সচেতন মহল বলেন, ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরও দেশে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা রয়ে গেছে। এই নতুন সূচনায় দুর্নীতি নির্মল না হলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়

তাদের মতে, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তৃণমূল পর্যায়ের দুর্নীতি রোধ করতে হবে এবং দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা পেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ