শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন

এরা তো শিবির স্যার, নতুন ফোর্স লাগবে’— ডিসি মাসুদের ফোনালাপ ভাইরাল

ডেস্ক রিপোর্ট / ৫২২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম আবারও সমালোচনায়। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় ছাত্র–জনতার ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের আগে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনালাপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “এরা তো শিবির স্যার, আমাদের এখানে নতুন কিছু ফোর্স লাগবে।” এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে নেটিজেনদের একাংশ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।

১৭ নভেম্বর, শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার সময় ধানমন্ডি ৩২–এ উত্তেজনা দেখা দেয়। ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে এক্সকাভেটর নিয়ে ভাঙচুরের চেষ্টা করলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এরপর সেখানে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয় এবং সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই সময়ই ডিসি মাসুদের ফোনালাপের ভিডিওটি ধারণ হয় এবং পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’ নামে একটি ফেসবুক পেজ ভিডিওটি শেয়ার করে দাবি করে, আন্দোলন দমনে এখনো ‘শিবির ট্যাগ’ ব্যবহার করা হচ্ছে এবং ডিসি মাসুদ আন্দোলনকারীদের শিবির আখ্যা দিয়ে কঠোর পদক্ষেপের অনুমোদন নিয়েছেন। ভিডিও প্রকাশের পর তাঁকে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

ডিসি মাসুদকে ঘিরে এর আগেও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় এক ছাত্রের মুখ চেপে ধরা তার সেই ছবিটি তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল। আবার পাবনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সাহস জুগিয়েছিলেন—সে ভিডিওটিও তখন ভাইরাল হয়।

ছাড়া বিভিন্ন গণ-আন্দোলনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্যও তিনি প্রশংসিত হয়েছেন। গত মে মাসে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তুলে দলটির নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলে, তিনি খেলার মাঠ থেকে জার্সি পরা অবস্থায় ছুটে গিয়ে ঘটনাস্থল সামলান—এ ঘটনাও আলোচনায় আসে।

তবে বিতর্ক তার পিছু ছাড়েনি। গত ১৫ এপ্রিল সায়েন্সল্যাবে সিটি কলেজ ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, “এই সংঘর্ষের কারণ কেউ বলতে পারবে না, আল্লাহ ছাড়া।” ওই মন্তব্যও সমালোচনার জন্ম দেয়।

ডিসি মাসুদ বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি র‌্যাব-৬ ঝিনাইদহ ক্যাম্প, পরে পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়ে গত বছরের ৫ আগস্ট ডিএমপিতে বদলি হয়ে রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগ দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ