শিরোনাম
রংপুরে নিখোঁজের একদিন পর শিশু সানজিদার লাশ উদ্ধার জমি নিয়ে বিরোধে হামলায় নারীসহ গুরুতর আহত ৫ রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে রাস্তায় আলু ফেলে চাষীদের বিক্ষোভ-মহাসড়ক অবরোধ রংপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু হোটেল কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে মালিক মিঠাপুকুরে মিশুক ছিনতাইকারী নারী আটক ব্র্যাক সীডের উদ্যোগে টেকসই ও নিরাপদ কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইন্টার্ণদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবীতে রংপুরে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন রমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন

এক ঘরে শিশুর গলাকাটা নিথর দেহ, আরেক ঘরে ঝুলছিল মা

ডেস্ক রিপোর্ট / ৬৯৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ফরিদপুরে এক ঘরে পড়েছিল শিশুর রক্তাক্ত মৃতদেহ এবং বাইরের আরেক ঘরে মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে মাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দিকে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পূর্বকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুর নাম হুজাইফা (৫) ও মৃত মায়ের নাম সুমাইয়া আক্তার (২২)। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুমাইয়া অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর তার সিজার হওয়ার কথা ছিল।

সুমাইয়া ফরিদপুর সদরের কৈজুরী গ্রামের বাসিন্দা রমজান খানের মেয়ে।রমজান মুন্সী সদরপুরের কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পূর্বকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোতালেব মুন্সির ছেলে । ২০২০ সালে সুমাইয়ার সাথে রমজানের বিয়ে হয়। হুজাইফাই তাদের একমাত্র সন্তান ছিল।

রমজান দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর ছিলেন। তবে দুই বছর আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং বর্তমানে অন্য কোনো দেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

রমজানের বাবা মোতালেব মুন্সি জানান, ঘটনার সময় তিনি বাড়ির কাছে ঘাস কাটছিলেন খামারে থাকা গরুর খাবার দেয়ার জন্য ।

তিনি জানান, হঠাৎ বাড়িতে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে তিনি বাড়িতে আসেন এসেই মর্মান্তিক ঘটনা জানতে পারেন। তিনি বলেন, ‘রমজানের সাথে সুমাইয়ার সম্পর্ক খুব ভাল ছিল। কখনো তাদের মধ্যে কলহ হয়েছে বলে শোনা যায়নি।

তবে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিবেশীরা জানান, সুমাইয়া ও রমজানের মধ্যে প্রায় তারা ঝগড়াঝাঁটির কথা শুনতে পেতেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাঙ্গা সার্কেল আসিফ ইকবাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ‘সুমাইয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে। তবে শিশুকে ঘরের মধ্যেই গলাকাটা এবং কম্বল প্যাচানো মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।’

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুদের রায় জানান, রমজান ফরিদপুরে আছেন। ঘটনা তদন্ত না করে বোঝা যাচ্ছে না প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ