শিরোনাম
দেশের বিরোধী দল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে …. রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন

ঋণের দায়ে আত্মহত্যা’ করেছিলেন মিনারুল, ঋণ নিয়ে ১২০০ জনের জন্য চল্লিশা

ডেস্ক রিপোর্ট / ৬৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ঋণের বোঝা ও খাওয়ার অভাবে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছিলেন মিনারুল ইসলাম। সেই মিনারুলের পরিবারের জন্য লাখ টাকা ঋণ করে চল্লিশা করেছেন তার বাবা রোস্তম আলী। তিনি জানিয়েছেন, ঋণের টাকায় ১২শ লোককে চল্লিশায় খাওয়ানো হয়েছে। ঋণ পরিশোধে জমি বিক্রি করবেন।

গত ১৫ আগস্ট স্ত্রী মনিরা খাতুন (৩০), ছেলে মাহিম (১৪) ও মেয়ে মিথিলাকে (৩) হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেন পবা উপজেলার বামনশিকড় গ্রামের মিনারুল ইসলাম (৩৫)। মরদেহের পাশে পাওয়া চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমরা মরে গেলাম ঋণের দায়ে আর খাওয়ার অভাবে।’

শনিবার দুপুরে মিনারুল ও তার স্ত্রী-সন্তানদের চল্লিশা করা হয় আবারও ঋণ করে। বামনশিকড় গ্রামের বাড়িতে প্রায় লাখ টাকা খরচ করে ১২শ’ লোককে খাওয়ানো হয়েছে। এতে অংশ নেন মিনারুলের স্বজন ও গ্রামের বাসিন্দারা। তাদের জন্য রোস্তম আলীর বাড়িতে দুটি প্যান্ডেল করা হয়। প্যান্ডেলে চেয়ার টেবিলে বসে তারা খাবার খান। খাবারের তালিকায় ছিল ভাত, ডাল ও মুড়িঘণ্ট।

রোস্তম আলী বলেন, আমাদের গ্রামে কেউ মারা গেলে ৪০তম দিনে চল্লিশা করা হয়। সমাজের মানুষ ও আত্মীয়-স্বজনরা এতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে মৃতের আত্মার জন্য দোয়া করা হয়। আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকেই এটা দেখে আসছি। মনের আবেগে করলাম। যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী করে। আমি গরিব মানুষ, মাংস করতে পারিনি। মাছ দিয়ে মুড়িঘণ্ট আর ডাল করেছি।

তিনি আরও বলেন, আশপাশের মানুষজন বলেছিলেন, চারজনের মৃত্যু হওয়ায় বাড়ি ভারি ভারি লাগছে। ছোট্ট ছেলে-মেয়েরা ভয় পাচ্ছিল। অনুষ্ঠানটা করলাম যেন ভয় ভাঙে। বাড়ি যেন পাতলা হয়। এ কারণে দুপুরে দোয়া হয়েছে। তারপর খাওয়া-দাওয়া।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ