শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

হেমন্তের গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে উত্তরে শীতের আমেজ, পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নামল ২০ ডিগ্রিতে

স্থানীয় রিপোর্ট / ১৩২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫

উত্তরের জেলাগুলোতে গত দুদিন ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এতে তাপমাত্রা নামতে শুরু করেছে হিমালয়ের কাছের এ জেলার। আরো দুই-তিনদিন এমনই আবহাওয়া বিরাজ করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। পঞ্চগড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। রাতে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। গতকাল সকাল থেকে শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। বৃষ্টিপাতের ফলে হেমন্তেই দেখা দিয়েছে শীতের আমেজ। পঞ্চগড় পৌর এলাকায় বৃষ্টির কারণে শীতল আবহাওয়া বিরাজ করছে। সকাল থেকে শ্রমজীবী মানুষ বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাজে বের হয়। তবে তাদের গায়ে শীতের কাপড় দেখা গেছে।

পঞ্চগড় পৌরসভার খালপাড়া এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে মোটা কাপড় ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাচ্ছে না। দুদিন আগেও গরম ছিল। কিন্তু বৃষ্টির পর মনে হচ্ছে শীতকাল এসে গেছে।

পৌরসভার ইজিবাইকচালক রশিদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে শহরে মানুষের সমাগম কম দেখা গেছে। মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা হাওয়া বয়ে যাওয়া শীত লাগছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, উত্তরের হিমেল বাতাস বয়ে যাচ্ছে এ জনপদে। সেই সঙ্গে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। দিনের তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। বৃষ্টির পরই শীতের আমেজ শুরু হবে। গতকাল তাপমাত্রা ২০ দশমিক ৬ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

শনিবাত (১ নভেম্বর) পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির ঘর ছুঁয়েছে। এদিকে প্রতিদিনই ভোররাত থেকে শুরু করে সকাল ৯টা পর্যন্ত পুরো এলাকা কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকছে। দিনের বেলায় যদিও তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ছে, কিন্তু সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে শীতের মাত্রা বেড়েই চলছে। এরই মধ্যে রাতে কাঁথা-কম্বল গায়ে জড়িয়ে স্থানীয়দের ঘুমাতে হচ্ছে।

তবে শীতের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে উচ্চ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন আগেভাগেই লেপ সেলাই করাসহ শীতবস্ত্র সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কেউবা আবার পুরোনো লেপ নতুন করে সেলাই করে নিচ্ছেন। তবে শীতের প্রস্তুতি নেই খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষদের। হাতে কাজ কম ও দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির কারণে সংসার সামলানোটাই তাদের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে শীত নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

লেপ তৈরি করার মতো তাদের কোন সামর্থ নেই। প্রতিবছর প্রচণ্ড শীতে কাহিল মানুষদের জন্য সরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিরতণ করা হয়। কিন্তু এগুলোর পরিমাণ খুবই নগণ্য। বেসরকারি উদ্যোগে কিছু শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও শহরের আশপাশেই এর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকে। প্রত্যন্ত এলাকার লোকজন এই সকল শীতবস্ত্রের দেখাই পায় না।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবেত আলী বলেন, হিমালয় কন্যা হিসেবে পরিচিত আমাদের পঞ্চগড়ে অন্য জেলার তুলনায় আগেই শীত শুরু হয়। কয়েকদিন ধরে শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। শীত নিয়ে দুঃস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে প্রতি বছরের মত এবারও আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা শীতের কম্বলসহ পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের চাহিদা জানিয়ে চিঠি দিয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ