শিরোনাম
বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘাত এড়াতে ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে প্রশাসনের আবেদন বহুল প্রত্যাশিত কারমাইকেল কলেজের মূল ফটক নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তরের উদ্বোধন রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল বিআরটিএ’র ১ কোটি ৩ লাখ টাকা জমি বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রংপুরে ১’শ শয্যার আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার …. রংপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী রংপুর নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করতে ভাঙা সড়ক সংস্কার কাজ শুরু রংপুরে সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ..রংপুরে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল রংপুরে বস্তাবন্দী অবস্থায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন

ইবি ছাত্রদলের ২ নেতার চাঁদা দাবি, লিখিত অভিযোগ দোকানদারের

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৬৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ জুলাই, ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অনুষদ ভবন সংলগ্ন আব্দুল আহাদ নামে এক দোকানদারের কাছে চাঁদা দাবি করেছে শাখা ছাত্রদলের একাংশের দুই নেতা।

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে তারা চাঁদা দাবি করেন।

চাঁদা দাবি করা দুই নেতা হলেন, ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উল্লাস মাহমুদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন।

এই দুই নেতা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদের অনুসারী বলে জানা গেছে।

এ নিয়ে বিকাল ৪টার দিকে প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ওই দোকানদার।

লিখিত অভিযোগে দোকানদার আব্দুল আহাদ জানান, কয়েকদিন আগে ছাত্রদলের এক নেতা উল্লাস তাকে দোকান বন্ধ করার জন্য বলে। কিন্তু আহাদ দোকান বন্ধ না করায় শনিবার দুপুর ১টার দিকে ছাত্রদল নেতা সাব্বিরকে নিয়ে তার দোকানে যায় এবং চাঁদা দাবি করে। দোকানদার আহাদ চাঁদা না দিলে তাকে হুমকি দেন ছাত্রদলের এ দুই নেতা। এমতাবস্থায় আহাদ প্রক্টরের কাছে নিরাপদে ব্যবসা করার নিরাপত্তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে দোকানদার আব্দুল আহাদ বলেন, ‘উল্লাস মাহমুদ এবং সাব্বির নামের দুইজন দোকানে এসে কিছু টাকা দাবি করে। টাকা দিলে ক্যাম্পাসে কোনো সমস্যা হবে না, বড় ভাইও খুশি থাকবে।’

এ বিষয়ে সাব্বির হোসেন বলেন, ‘এটা অসম্ভব বিষয়। এটা মিথ্যা এবং ফালতু কথা।’

এ বিষয়ে উল্লাস মাহমুদ বলেন, ‘আমি ক্যাম্পাসে গিয়েছি তবে কোনো দোকানে যাইনি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন কথা।’

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ‘এ বিষয়টি আমার জানা নেই। ছাত্রদল করে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ এমন করে থাকে আমরা সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাব।’

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, ‘আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। অফিস টাইম শেষ হওয়ায় অভিযোগটি এখনো দেখা হয়নি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ