শিরোনাম
দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পেল ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা রংপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার রংপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারী মৃত্যু মিঠাপুকুর ভুমি অফিসের ক্যাশিয়ারের তৌহিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারের দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা সবচেয়ে জরুরী …. রংপুরে ত্রাণ মন্ত্রী দুলু রংপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত কর্মহীন ও দ্স্থু ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান রংপুরে সাংবাদিক হত্যা মামলায় এক আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে চার খুনের ঘটনায় তদন্তে আসা নানা প্রশ্নের জবাব পেশাদারিত্বের সাথে খুঁজছে পুলিশ
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন

আ.লীগের ঝটিকা মিছিলে গেলে ৫ হাজার টাকা, ব্যানার ধরলে ৮ দেয়ার ঘোষণা; অর্থদাতাদের খুঁজছে পুলিশ

ডেস্ক রিপোর্ট / ২০১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলেও, প্রায়ই রাজধানীতে দেখা যাচ্ছে তাদের ঝটিকা মিছিল। এই মিছিলগুলোতে অংশ নেওয়ার জন্য কর্মীদের ৫ হাজার এবং ব্যানার ধরার জন্য ৮ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কর্মী-সমর্থকদের আনা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও।

গত ১০ মাসে এসব ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক সৃষ্টি এবং বাস লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ার মতো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, গত ১০ মাসে ঢাকা মহানগর পুলিশ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় ৩ হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডিসি (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী যারা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ করে শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে, তাদের আমরা গ্রেপ্তার করছি। যারা তাদের আশ্রয় দিচ্ছে, ইন্ধন দিচ্ছে, অর্থ সহায়তা দিচ্ছে তাদেরও আমরা আইনের আওতায় আনছি।”

গ্রেপ্তারকৃত কর্মীদের কাছ থেকে জানা গেছে, এসব মিছিলের পেছনে টাকার লেনদেন রয়েছে। পুলিশ এখন সেই অর্থদাতাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক মনে করেন, “টাকা নিয়ে ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা কিংবা হামলার ঘটনা ঘটাতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার পক্ষে এই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তারা শুধু গ্রেপ্তারই করতে পারবে, কত গ্রেপ্তার করবে?”

বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে জনমনে স্বস্তি আনতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল বা সংগঠনের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি আরও বাড়ানো উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ